মমতার দিল্লি সফর ঘিরে কটাক্ষ দিলীপের।  'দুর্নীতি বাড়ছে সরকার চালাবার মতো পরিস্থিতি আর নেই, মোদীজির কাছে হাতজোড় করতে যাচ্ছেন',   রবিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই কটাক্ষ করলেন  বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ । 


'মোদীজির কাছে হাতজোড় করতে যাচ্ছেন', মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে রবিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, 'বেকারদের ফুটবলের মতো ব্যবহার করছে তৃণমূল সরকার', 'নিয়োগ' চালু করতে বলে বিস্ফোরক দিলীপ

'মোদীজির কাছে হাতজোড় করতে যাচ্ছেন'

মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে এদিন সকালে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ২০১৯ সালেও উনি করেছিলেন। মিটিং রেডি করেছিলেন ব্রিগেডে এবার বুঝতে পেরেছেন, বাকি বিরোধীরা সবাই সাফ হয়ে গেছে। ওনার পার্টির মধ্যে যেরকম খুনোখুনি শুরু হয়েছিল । ২০২৪ এর নির্বাচনে লড়তে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে। পশ্চিমবাংলার যে আর্থিক অবস্থা, যে ধরনের আইএএস আইপিএস নীল বাতি, এখন আবার স্টাইপেন্ডের দুর্নীতি জড়িয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি বাড়ছে সরকার চালাবার মতো পরিস্থিতি আর নেই। তাই মোদীজির কাছে হাতজোড় করতে যাচ্ছেন, আমি আর পারছি না সাহায্য করুন।'

 'গায়ে মানে না, আপনি মোড়ল' 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিজেপি পরাজিত হয়েছে রাজ্যে এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'বিজেপির সাড়ে ১০ শতাংশ ভোট ছিল পাঁচ বছর আগে সেটা ৩৮ শতাংশ হয়েছে বর্তমানে। তিন থেকে ৭৭ টা আসন পেয়েছেন। পরাজিত হয়েছে সিপিএম কংগ্রেসের শেষ হয়ে গেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে ছিলেন সেখানে আছেন ,আমরা এগিয়ে গেছি। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় প্রমোশন চাইছেন। তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গেছেন। মানুষ ওনাকে হারিয়ে দিয়েছেন। বুঝে গেছেন বিধানসভাতে উনি নিজেই হেরেছেন। সেইজন্য 'গায়ে মানে না আপনি মোড়ল' করলে কী হবে অনেক পার্টি আছে, যাদের কিছু নেই কাজ নেই। তারা ঘুরে ঘুরে পলিটিক্যাল ট্যুরিজম করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এজেন্সি নিয়েছেন।' 

আরও পড়ুন, বাংলার 'নির্বাচনে অত্যাচারিত ৩৫ হাজার মহিলা', কী করে 'দেশ চাইছেন', মমতাকে নিশানার রুপার

'মমতার পরই অভিষেকই নেতা'

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন,' বিজেপি কিছু না করলে ওই পার্টিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র নেতা। মমতার পরই অভিষেকই নেতা। এটা প্রাইভেট মালিকানার পার্টি ,আর যারা ওখানে কাজ করেন তারাও জানে যারা এটা হজম করতে পারছিলেন না, চলে এসেছিলেন । ভেবেছিলেন এটা হয়নি এই যে পরিবার বাদ এটা সবাই ভাল ভাবে নিচ্ছেন না।'

আরও পড়ুন, ভাইরাসের ভয় নেই তেমন এখানে, ঘুরে আসুন ভুটানে 

আরও দেখুন, মাছ ধরতে ভালবাসেন, বেরিয়ে পড়ুন কলকাতার কাছেই এই ঠিকানায় 

আরও পড়ুন, রাজ্য়ের সর্বনিম্ন সংক্রমণ এই জেলায়, বৃষ্টিতে হারাতেই পারেন পুরুলিয়ার পাহাড়ে

আরও দেখুন, বৃষ্টিতে বিরিয়ানি থেকে তন্দুরি, রইল কলকাতার সেরা খাবারের ঠিকানার হদিশ 

আরও দেখুন, কলকাতার কাছেই সেরা ৫ ঘুরতে যাওয়ার জায়গা, থাকল ছবি সহ ঠিকানা

আরও পড়ুন, বনগাঁ লোকাল নয়, জাপানে ঠেলা মেরে ট্রেনে তোলে প্রোফেশনাল পুশার, রইল পৃথিবীর আজব কাজের হদিস