ডিপোর বেশিরভাগ বাসকর্মীই অস্থায়ী তাঁরা এবার স্থায়ীকরণের দাবি তুলে কর্মবিরতিতে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জুলুমের অভিযোগ সকাল থেকে চলেছে হাতেগোনা বাস,  নাকাল যাত্রীরা

একে তো কাজের নিরাপত্তা নেইতারওপর কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালি আচরণগাড়ির লুকিং গ্লাস থেকে শুরু করে সামমের কাঁচ ভেঙে গেলে, নিজের পকেট থেকেই নাকি সেই গরচা দিতে হয় চালককেচালক মাঝপথে কোনও দুর্ঘটনায় বা বিপদে পড়লেও কেউ দেখার নেইএমতাবস্থায় কার্যত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই জুলুমের অভিযোগ তুলে স্থায়ীকরণের দাবিতে কাজ বন্ধ করে দিলেন শ-খানেক বাসকর্মীবৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া ডিপো থেকে বেশ কিছু রুটের বাস তাই ছাড়েনিযেটুকু যা বাস চলেছে শুধু স্থায়ী কর্মীদের ওপর ভরসা করেইযা প্রয়োজনের তুলনায় নেহাতই কম

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অস্থায়ী কর্মীদের পক্ষ থেকে এদিন সকাল থেকেই হাবড়া বাসস্ট্য়ান্ডে শুরু হয় কর্মবিরতিখবর পেয়ে পুলিশ আসে আসে ব়্যাফযদিও অবস্থান শান্তিপূর্ণ দেখে পুলিশ কোনওরকম হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয় নাঅস্থায়ীকর্মীদের অভিযোগ, শুধু স্থায়ীকরণ নয়, হয়রানি বন্ধ করার দাবিতেও চলছে তাঁদের এই কর্মবিরতি শুধু হাবড়া নয়, বারসত-সহ অন্য়ান্য় ডিপোটেও শুরু হয়ে গিয়েছে কর্মবিরতি অভিযোগ, যেনতেন প্রকারে চালক ও কর্মীদের হেনস্থা করছে কর্তৃপক্ষ বাসের সামান্য় কোনও ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দিতে হচ্ছে চালকের পকেট থেকে তাছাড়া, কোনও যাত্রী যদি কোনও অভিযোগ করেন, তবে দু-পক্ষের বক্তব্য় না-শুনেই বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে কনডাকটরকে
একটা টার্গেট বেঁধে দেওয়া হচ্ছে

প্রসঙ্গত হাবড়া থেকে অনেক দূরপাল্লার বাস ছাড়ে প্রতিদিনহাবড়া থেকে দিঘা, আসানসোল, নবান্ন, সাঁতরাগাছি, গড়িয়া যাওয়ার বাসের ওপর নির্ভর করে থাকেন অসংখ্য় যাত্রী যেহেতু স্থায়ী কর্মচারীর চেয়ে অস্থায়ী কর্মচারীর সংখ্য়াই বেশি, তাই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বেশিরভাগ রুটের বাসই বন্ধ ছিলআর, কর্তৃপক্ষ বনাম কর্মচারীর দড়ি টানাটানির মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদেরপাল্টা অভিযোগ এমনও শোনা যাচ্ছে, স্থায়ী চাকরির কারণেই সরকারি বাসের চালক বা কনডাকটররা এতদিন মর্জিমতো স্টপেজে বাস দাঁড় করিয়েছেনরাস্তায় দাঁড়়িয়ে থাকা যাত্রী হাত দেখালেও থামেননি এখন অস্থায়ী চুক্তির ফলে তাঁরা যাত্রী তুলতে বাধ্য় হচ্ছেন আর তাতেই এত গোসা