আমপান দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে পড়ল রাজ্য সরকার। রাজ্যের তদন্ত রিপোর্টে অসন্তুষ্ট প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্ট। দুর্নীতি মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থা কন্ট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল CAG-কে দায়িত্বভার দিল উচ্চ আদালত।

আরও পড়ুন-রাজ্যে আসছে তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা ইনফোসিস, কর্মসংস্থানে কী বার্তা দিলেন মমতা

আমফান দুর্নীতি মামলার তদন্তে CAG-কে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণন এবং বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ, কন্ট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেলকে (CAG) ৩ মাসের মধ্যে তদন্ত করে ডিভিশন বেঞ্চে রিপোর্ট পেশ করতে হবে৷ কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা CAG-কে খতিয়ে দেখতে হবে ক্ষতিগ্রস্তরা ত্রাণ পেয়েছে কিনা?  না পেলে কেন পায়নি? কাদের মাধ্যমে ত্রাণ বন্টন হয়েছে? এছাড়াও,প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা ত্রাণ না পেলে দায় কার ? তবে ডিভিশন বেঞ্চ একইসঙ্গে আরও জানিয়েছে, তদন্ত চলছে বলে ত্রাণ বন্টন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না। 

আরও পড়ুন-'নিজের চেয়ারের সম্মান রাখুন', কৃষি আইন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কী বললেন মমতা

প্রসঙ্গত, আমফান দুর্নীতি নিয়ে হাইকোর্টে একাধিক মামলা হয়। জনস্বার্থ মামলা করেন খইরুল আলম নামে কাকদ্বীপের এক ব্যক্তিও। তাঁর অভিযোগ ছিল, দুই ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে  আমফান ত্রাণ নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। যাঁরা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তাঁদের মধ্যে অনেকেই আবেদন করেও ত্রাণ পাননি। অথচ, যাঁদের বাড়ি আদৌ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি তারা পেয়েছেন ত্রাণের টাকা। মূলত শাসকদল ঘনিষ্ঠ অনেকের অ্যাকাউন্টে ত্রাণের টাকা গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। 

আরও পড়ুন-একুশের ভোটের আগে জনমত সমীক্ষা, কার দখলে দক্ষিণ দিনাজপুর, কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে

শুধু তাই নয়, বিডিও অফিসে আবেদন করতে গিয়েও অনেক ক্ষতিগ্রস্তকে মারধরও করা হয় বলেও অভিযোগ। আইনজীবী শমীক বাগচি বলেন, পাবলিক ডোমেনে তথ্য এলে স্পষ্ট হবে রাজ্য সরকার কাকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। এদিকে, রাজ্য সরকারের দাবি, দুর্গতদের প্রত্যেককেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াই ছিল সরকারের লক্ষ্য। যাঁরাই আবেদন করেছেন তাদের সাহায্য করা হয়েছে।