কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন সুপার স্পেশালিটি ওয়ার্ডে তৈরি হয়ে গিয়েছে আইসোলেশন ওয়ার্ড। ৩০০ বেডের ওই ওয়ার্ড শুধুমাত্র করোনা সন্দেহভাজন ও করোনা সংক্রান্ত রোগীদের জন্যই প্রস্তুত রাখা হবে। এরপর প্রয়োজনে ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন, দীর্ঘ পথ হেঁটেও মিলল না সন্তানের ওষুধ, দম্পতিকে সাহায্য়ের হাত এগিয়ে দিল কলকাতা পুলিশ

নবান্ন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়লেই কলকাতা মেডিকেল কলেজের ওই ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে শুধুমাত্র 'করোনা হাসপাতাল' হিসেবে চিহ্নিত করেই প্রায় ৩০০০ আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হবে। সেই লক্ষ্যেই অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এরই প্রথম পর্যায়ে ৩০০ বেডের এই ওয়ার্ড চালু করে দেওয়া হল।
এরপর প্রয়োজনে ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুুন, রাজ্য়ে ২২টি করোনা হাসপাতাল, সংক্রমিত বাড়ছে দেখেই সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য় ভবনের


 কলকাতা মেডিকেল কলেজের সুপার ইন্দ্রনীল বিশ্বাস বলেন, 'আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা-পরিষেবা দিতে। এখানে কাজ করা প্রত্যেক চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই কিট অর্থাৎ পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইক্যুইপমেন্ট দেওয়া হয়েছে। যাতে তাঁদের মধ্যে কোনও রকম সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে। আলাদা করে রোগীদের গেট তৈরি করা হয়েছে। রোগীর আত্মীয় পরিজনদের জন্য আলাদা জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। যাতে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই তাঁরা থাকতে পারেন।' উল্লেখ্য়, পাশাপাশি রাজ্যের ২২ জেলায় আলাদা করে নভেল করোনা ভাইরাস হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত ইতিমধ্য়েই নিয়েছে নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই সব জেলার সিএমওএইচ বা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছে এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। জেলার কোন হাসপাতালকে ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে রূপান্তরিত করা যায় তার বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।

 

রাজ্যে আরও এক করোনা আক্রান্তের হদিশ,সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ২২

জ্বর নিয়েই ট্রেন করে একটানা অফিস, ভয়ে কাঁটা রাজ্য়ের করোনা আক্রান্তর সহকর্মীরা

ফের তথ্য গোপন করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ়ের ভাইয়ের, আইসোলেশনে ভর্তি বরানগরের বাসিন্দা