লকডাউনের 'শিথিলতা' চিন্তা বাড়াচ্ছে রাজ্য়বাসীর। একের পর একে ছাড়পত্রে বেডে়ই চলেছে সংক্রমিত এলাকার সংখ্যা। রাজ্য়বাসীর আশঙ্কা,এরকম চলতে থাকলে আগামী দিনে গ্রিন জোনেও হানা দেবে কোভিড সংক্রমণ। 

'টিকিয়াপাড়ার' মতো ঘটনা কাম্য় নয় , মুখ্য়সচিবকে কড়া চিঠি কেন্দ্রের.

পরিসংখ্য়ান বলছে, বর্তমানে মালদায় তিনটি জায়গাকে সংক্রমিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আগে যেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় একটিমাত্র সংক্রমক এলাকা ছিল,এখন সেটা বেড়ে ২২। উত্তর ২৪ পরগনাতেও বেড়েছে সংক্রমিত এলাকার সংখ্য়া। বর্তমানে সেখানে ৮৫টি এলাকাকে সিল করা হয়েছে। তবে হাওড়া ও নদিয়ায় নতুন করে আর কোনও এলাকা কনটেনমেন্ট জোনের আওতায় ঢোকেনি। 

মেয়র থেকে প্রশাসক পদে ফিরহাদ!আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিলীপের.

তবে সব থেকে বেশি উদ্বেগ বাড়িয়েছে কলকাতার সংখ্যা। শহরে সংক্রমিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ৩৩৪টি জায়গা। হিসেব বলছে, কেবল কলকাতাতেই ৭৫৪ জন কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের মধ্য়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি গেছেন ১৩৬জন। 

List of containment zones in Kolkata as on 06.05.2020 pic.twitter.com/LgPxxvcYKK

— Kolkata Police (@KolkataPolice) May 6, 2020 

এদিন নবান্নে স্বরাষ্ট্রসচিব জানান, রাজ্য়ে একদিনে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়েছে ৪ জন। সব মিলিয়ে বুধবার পর্যন্ত রাজ্য়ে কোভিড মৃতের সংখ্য়া বেড়ে হল ৭২। বর্তমানে বঙ্গে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্য়া ১৪৫৬ জন। মঙ্গলবার এই সংখ্য়াটা ছিল ১৩৪৪। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১১২ জন। 

রাজ্য় সরকারের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে  সেরে উঠেছেন এক জন। ফলে মোট ২৬৫ জন রোগী সেরে উঠেছেন বুধবার পর্যন্ত। এই মুহূর্তে করোনা অ্যাকটিভ ১০৪৭ জন। স্বরাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন এই মুহূর্তে ৬৭টি কোভিড হাসপাতাল রয়েছে রাজ্যে। সেগুলিতে মোট ৮০৩৬টি বেড প্রস্তুত রয়েছে। ৮৬০টা আইসিইউ রয়েছে এইসব হাসপাতালে। মোট ২৭১টি ভেন্টিলেটর রয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত মাত্র ৩০টি ক্ষেত্রে ভেন্টিলেশন পদ্ধতি কাজে লেগেছে।