করোনা রুখতে চিৎকার-কান্নাকাটি করেও ওষুধ খাওয়ার জল পেলেন না আক্রান্ত ব্যক্তি। ওষুধ খাওয়ার জল নেই নাকি গত ১২ ঘন্টা ধরে। এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠল বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আইসোলেশন কেবিনে।  পাশাপাশি এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তুলেছেন আক্রান্তের পরিবার।

রেহাই পেল না শিশুরাও, রাজ্যে করোনা আক্রান্ত আরও পাঁচ


 জানা গিয়েছে, মিশর ফেরত বছর পঞ্চাশের এক ব্য়ক্তি করোনা আক্রান্ত হয়ে বেলেঘাটা আইডির আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি। অভিযোগ, শুক্রবার রাত থেকেই জল নেই। প্রথমে বলা হয়, সকালে জল দেওয়া হবে। কিন্তু সকাল ১০টা পর্যন্ত কোনও জল পৌঁছায়নি কেবিনে। পাশাপাশি খাবারের পরিমাণও অত্যন্ত কম। এদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, হাইপ্রোটিন এবং ভালো খাওয়া-দাওয়া করতে হবে।  করোনাভাইরাসের সংক্রমণকে রুখতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। আর সেখানে চিকিৎসাধীন আক্রান্ত রোগী খাবার পাচ্ছেন না। এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। অপরদিকে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডেও কম পরিমাণ খাবার দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। গত কয়েকদিন ধরে অত্যন্ত নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে। সামান্য ডিমও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই মুহূর্তে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৬ বছরের এক শিশু। তার পরিবারের অভিযোগ, ওই শিশুর খাওয়ার জন্য সামান্য দুধটুকু চেয়েও মেলেনি। 

আরও পড়ুন, লকডাউনের মাঝেই অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎহীন দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায়

 
অপরদিকে, পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হয়তো এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না। খাবার দেওয়ার লোকেরাই এই কাজ করছেন বলে অভিযোগ রোগীর পরিজনদের। এই প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বেলেঘাটা আইডি কর্তৃপক্ষ এখনই কিছু জানাতে রাজি হয়নি। তাদের দাবি, 'এমনটা কখনোই হওয়ার কথা নয়। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।' স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা এ বিষয়ে জানিয়েছেন, তাদের তরফে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া আছে। এমন অভিযোগ কখনই কাম্য নয়। তারা এ ব্য়াপারে দ্রুত খোঁজ নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন, সাধারণ মৃত্যুকেও পিছু ছাড়ল না করোনা আতঙ্ক, জ্বরে মারা যাওয়ার খবরে ভয়ে কাঁটা হরিদেবপুরবাসী