রেহাই পেল না শিশুরাও! এ রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আরও পাঁচজন। সকলেই একই পরিবারের সদস্য। সংক্রমিত হয়েছে ছ' বছর ও ন'মাসের দুই শিশুও! এক ধাক্কায় এ রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৫।

আরও পড়ুন:করোনা মারতে টিউবওয়েলে কীটনাশক, বাসন্তীতে হাতাহাতি, জানুন আসল সত্যি

স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর. পরিবারটি বাস নদিয়ার তেহট্টে। গত ১৬ মার্চ দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানের গিয়েছিলেন দুই শিশু-সহ পরিবারের পাঁচজন সদস্য। সেই অনুষ্ঠানে ব্রিটেন থেকেও এক ব্যক্তি এসেছিলেন। তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন।  তাঁর থেকে প্রথমে গৃহকর্তার শরীরের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। দিল্লিতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে।  পরিবারের বাকি সদস্যরা ফিরে আসেন নদিয়ার তেহট্টে। গৃহবন্দি অবস্থায় পর্যবেক্ষণে ছিলেন সকলেই। দিন কয়েক আগে প্রথমে পরিবারের এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপরই একে একে বাকিরা অসুস্থ হন। দু'বারই তাঁদের নমুনা পরীক্ষা হয়। রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। আক্রান্ত পরিবারটি আর কারও সংস্পর্শে এসেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে স্বাস্থ্য দপ্তর। প্রয়োজনে তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে। 

আরও পড়ুন: আকালের বাজারে এবার মিলবে জঙ্গলমহলে তৈরি স্য়ানিটাইজার

এর আগে বুধবার রাতে কলকাতায় এক করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলে। আক্রান্তের বয়স ৬৬ বছর, নয়াবাদের বাসিন্দা তিনি। সোমবার রাতে অসুস্থ অবস্থায় বাইপাসের ধারে একটি নার্সিংহোম ভর্তি হন তিনি। নিয়মমাফিক করা হয় করোনা পরীক্ষা। তাতেই শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে।  জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধের শারীরিক অবস্থা সংকটজনক। তাঁকে রাখা হয়েছে আইসিইউতে।  কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন ওই বৃদ্ধ? সম্প্রতি একটি বিয়ের অনুষ্ঠান যোগ দিতে মেদিনীপুরে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে প্রচুর লোকের জমায়েত তো ছিলই, আমন্ত্রিতদের কয়েকজন আবার ছিলেন বিলেতফেরত।  শুধু তাই নয়, ওই বৃদ্ধের বাড়ির কাছেই একটি আবাসনে থাকে রাজ্যের প্রথম করোনা আক্রান্ত আমলাপুত্রও।  কোনওভাবে কি সে ওই বৃদ্ধের সংস্পর্শে এসেছিল, খতিয়ে দেখছে স্বাস্থ্য দপ্তর।