রবীন্দ্রভারতীর ঘটনা মমতার কালচার।নেতাজি, ক্ষুদিরাম,রবীন্দ্রনাথকে বাংলার গর্ব বলা হয়, মমতাকে বাংলার গর্ব বলা কলঙ্কের। এমনই দাবি করলেন সিপিআইএম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য।

রং ঘিরে করোনা আতঙ্ক, পাপড়ি মাখিয়ে বসন্ত উৎসব বর্ধমানে

রাজ্যে মমতা ক্ষমতায় আসার পর অপসংস্কৃতি বেড়েছে। দেশে মোদী, রাজ্যে মমতা এরা নিজেরা যে ধরনের আচরণ করেন, যে ধরনের কথাবার্তা বলেন, তারই প্রতিফলন ঘটেছে। রবিবার মেদিনীপুরে বামপন্থী গণসংগঠনগুলির উদ্যোগে অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার গণনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ স্মরণে, ভারতের সংবিধান ও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিষয়ে স্মারক বক্তৃতা দিতে  মেদিনীপুর শহরে এসেছিলেন বাম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। 

৫০ টাকায় মুরগির মাইকিং করেও খদ্দের নেই,৭০০ টাকার খাসিতে লম্বা লাইন

রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন গোটা দেশ জুড়েই তো সাংস্কৃতিক অবনমন চলছে। সুস্থ্য সংস্কৃতিকে বাদ দিয়ে এখন একটা লুম্পেন কালচার তৈরি করার চেষ্টা চলছে। আর মমতা ক্ষমতায় আসার পর এটা বেড়েছে। একটা মুখ্যমন্ত্রী যদি ঐ ধরনের শব্দ প্রয়োগ করেন, অনৈতিহাসিক কথাবার্তা বলেন, অবাস্তব কথা বলেন, তারই ফল স্বরূপ তার নীচের তলার অনুগামী যারা, তারা আরও বিশৃঙ্খল, অসভ্য হবেন, তারই পরিণতি এটা।"

নির্দেশিকা না মেনেই আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলার অভিযোগ, শহরের সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে

 বাংলার গর্ব মমতা প্রসঙ্গে বিকাশবাবু বলেন, "এটা সবচেয়ে বড় কলঙ্ক ভারতের ইতিহাসে। আমরা জানি রবীন্দ্রনাথ, সুভাষচন্দ্র বসু, বিবেকানন্দ, জ্যোতি বসু বাংলার গর্ব, সেই বাংলায় মমতা যদি গর্ব হয়, তাহলে তো বলতে হয় গর্ভধারিণী বাংলা, তুমি লজ্জায় মুখ লুকাও।"