বাড়ি থেকে ভেঙে পড়ছে চাঙর। সাত, আটটি বাড়িতে দেখা গিয়েছে বিশাল ফাটল। রাতারাতি ভূমিকম্প ছাড়াই বউবাজারে শুরু হয়েছে ধসের আতঙ্ক।

বসতভিটে থাকতেও অন্য বাড়িতে চলে যেতে হচ্ছে বাড়ির বাসিন্দাদের। কেউ কেউ উঠে গিয়েছেন আত্মীয়ের বাড়িতে। এমনকী পুরসভার লোকজন এসে বাড়ি থেকে চলে  তে বলছেন। রাতারাতি বিপজ্জজনক হয়ে উঠেছে  বউবাজারের বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিটের একাধিক বাড়ি। এলাকার এক প্রবীণ নাগরিক জানিয়েছেন,কিছুদিন ধরেই এলাকায় মেট্রো রেলের কাজ হচ্ছে। সেকারণেই যাবতীয় বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্য়েই বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এসে বাড়ির লোকসজনকে অন্য়ত্র সরিয়ে নিয়ে গেছে। এলাকার হালহকিকত দেখতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিধায়ক নয়না বন্দ্য়োপাধ্যায়।

আরও পড়ুন :কার্যকর হল নতুন ট্রাফিক আইন! আইন ভাঙলে কত জরিমানা, জেনে নিন বিস্তারিত

আরও পড়ুন : বিরোধিতা করছেন, 'এনআরসি'র দাবিতে স্পিকারের মুখে কাগজ ছুড়েছিলেন মমতা

বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এর মধ্যে কিছু বাড়ি হেলে পড়েছে। অনেকগুলিতেই দেওয়ার থেকে প্লাস্টার খসে পড়েছে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ,মেট্রোর কাজের আগে এই ধরনের পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁদেরকে কোনওভাবে সতর্ক করা হয়নি। শনিবার রাত থেকেই এই বিপত্তি শুরু হয়েছে।  যদিও এবিষয়ে কোনও ধরনের সরকারি বিবৃতি পাওয়া যায়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষের। তবে সূত্রের খবর,টানেল বোরিং মেশিন বা টিবিএনের কাজ ওখানে আগেই শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রো চ্য়ানেলিংয়ের বরাত পাওয়া অ্য়াবস্কন সংস্থা।

পরে অবশ্য় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, যে উদ্বেগের সঙ্গে মানুষগুলো রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রথমে তার নিষ্পত্তি করতে চাই। তাই অবিলম্বে এদের হোটেলে থাকার ব্য়বস্থা করা হয়েছে। পরে পুরসভার মাটি পর্যবেক্ষণের দল এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। তবে মেট্রোর কাজ আগাম জেনেও কেন বউবাজারের এই বাসিন্দাদের নোটিস দেওয়া হয়নি তা নিয়ে কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি ফিরহাদ। এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পরে বিষয়টি দেখব।

আরও পড়ুন : দুর্গাপুজোয় মমতার অনুদান,'গরু মেরে জুতো দান' বললেন দিলীপ

আরও পড়ুন :খাসতালুকে রক্ত ঝরল অর্জুনের, গুরুতর আহত সাংসদকে আনা হল কলকাতায়