অন্যকিছু নয়, শনির প্রকোপের জন্য়ই করোনার উৎপাত। এমনটাই মনে করছেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যদিও বিজ্ঞানের যুগে রাজ্য় বিজেপি কান্ডারির মুখে এহেন বচন শুনে খোঁচা মারছেন অনেকেই।

ডাক্তার বলছে বিষ, দিলীপের কাছে গো-মূত্র 'অমৃত'

পৃথিবীর ওপর শনির দশা বৃদ্ধি পেলেই এই ধরনের মহামারির সৃষ্টি হয়।  যে সময় এই ধরনের প্রকোপ বাড়ে তখন তা সবকিছু তছনছ করে দেয়। আগামী ২৫ মার্চ শনি ভয়াবহ রূপ ধরাণ করবে। ওইদিন সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। তিন চার মাস পর এই সব ভাইরাসের পরিস্থিতি সব নষ্ট হয়ে যাবে। শনিবার প্রভাব কমে যাবে বলে সেই পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ।  

করোনা আক্রান্ত 'বাবু'র দায়িত্বজ্ঞানহীনতা, হাসপাতালে ফল ভুগছে পরিচারিকার পরিবার.

এই বলেই অবশ্য় থেমে থাকেননি বিজেপির রাজ্য় সভাপতি। তিনি বলেন, ভারতীয়দের খাদ্য় অভ্য়াসের মধ্য়েই রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা রয়েছে। পুরাণেও ভাইরাসের উল্লেখ ছিল. কিন্তু আমরা নিম,থানকুনির রস খেয়ে বড় হয়েছি। তাই আমাদের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বেশি।  এটা ভারতীয় সংস্কৃতি। অতি আধুনিক হতে গিয়ে আজকাল ছেলে-মেয়েদের সর্বনাশ হচ্ছে। 

আতঙ্ক ছড়ানো নয়, জেনে নিন লকডাইন চলাকালিন কোন কোন ক্ষেত্রে মিলবে ছাড়
 
তবে এই প্রথ্মবার নয়, অতীতেও বিতর্কিত মন্তব্য় করেছেন দিলীপ ঘোষ। করোনা রুখতে গো-মূত্র খাওয়াকেও সমর্থন করেছেন তিনি। এমনকী গরুর দুধে সোনা পাওয়া যায় বলেও মন্তব্য় করেছেন তিনি। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায় সোশ্য়াল মিডিয়ায়। রবিবার নরেন্দ্র মোদীর জনতা কারফিউ নিয়ে বিজেপির রাজ্য় সভাপতি বলেন, অনেকেই বলেছিলেন কাসর ঘণ্টা বাজালে কী হয়। অতীতে সন্ধ্য়ে নামলেই শঙ্খধ্বনি হত। এই তরঙ্গের ফলে ভাইরাস চলে যায়।