ভিন রাজ্য় ছাড়িয়ে খাস বাংলায় ঢুকে পড়েছে গো-মূত্র পানের হিড়িক। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বিজেপির হাত ধরে কলকাতার বুকে চলছে গো-মূত্র পান। যা নিয়ে বিজেপিকে তুলোধনা করছে শাসক দল। যদিও তাতে হেলদোল নেই খোদ বিজেপির রাজ্য়  সভাপতির। প্রকাশ্য়েই তাঁর ঘোষণা, অতীতে বহুবার গো-মূত্র খেয়েছেন- প্রয়োজনে ফের খাবেন।

আগে বলেছিলেন 'দিল্লির হিংসা ঢাকতেই করোনা', এখন ২০০ কোটির ফান্ড গড়ছেন মমতা

চিকিৎসকরা বলছেন, গো-মূত্র পানে উপকারিতা কম,ভয়াবহতা বেশি। মানুষের মতোই দেহের দূষিত পদার্থ মূত্রের মাধ্য়মে ত্যাগ করে গরু। তাই সেটা আর যাই হোক উপকারী হতে পারে না। বাইরের কীটনাষক হলেও মানব শরীরে গো-মূত্র ক্ষতি করতে পারে। তাই করোনার প্রতিষেধক হিসাবে যারা গোমূত্র খাচ্ছেন,তাদের একহাত নেন রাজ্য়সভার সাংসদ মানস ভুঁইঞা। গো-মূত্রে খাওয়াকে সমর্থন করায় বিজেপির  রাজ্য় সভাপতিকে সরাসরি উন্মাদ বলেছেন তিনি।

জানালা খোলা রাখলে ভাইরাস বেরিয়ে যাবে, করোনা রুখতে দিদির নিদান

যদিও এ নিয়ে হেলদোল নেই মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদের। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপবাবু বলেন, কে কী বলেছে জানি না। অতীতে গোমূত্র খেয়েছি, প্রয়োজনে আবার খাব। এতে সমস্যার কিছু নেই।  এদিকে হুগলির ডানকুনিতে গোমূত্র বিক্রি করে গ্রেফতার হলেন এক ব্যক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো, অস্বাস্থ্যকর পানীয় বিক্রি-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

করোনায় আক্রান্ত গ্রাহক, আতঙ্কে বিছানা বয়কটে নিষিদ্ধপল্লীর মেয়েরা

শনিবার দিল্লিতে গোমূত্র পার্টির আয়োজন করেছিলেন হিন্দু মহাসভার প্রধান চক্রপানি মহারাজ। সোমবার হুগলির ডানকুনিতে দিল্লির রোডের কাছে গোমূত্র বিক্রি করতে দেখা যায় স্থানীয় ব্যবসায়ী শেখ মাবুদকেও। তাঁর বক্তব্য ছিল, গোমূত্র পান করলেই নাকি করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা যাবে! করোনা আতঙ্ক এতটাই ছড়িয়েছে যে, রীতিমতো লাইন নিয়ে দোকান থেকে গোমূত্র কেনেন অনেকেই। কেউ কেউ আবার রাস্তা দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যেও গোমূত্র পানও করেন।  ঘটনাটি জানাজানি হতে শোরগোল পড়ে যায়।

তবে এই প্রথমবার নয় আগে গরু প্রীতি দেখাতে গিয়ে সোশ্য়াল মিডিয়ায় নিন্দার শিকার হন দিলীপ ঘোষ। গরুর দুধে সোনা থাকে বলে হাসির  রসদ জোগান এই বিজেপি নেতা। এমনকী কদিন আগেই মাস্ক না পেলে কাপড়ে সুতো বেধে মুখে পরার পরামর্শ দেন তিনি।