সোমবার, ২৫ মে কলকাতা থেকে দেশীয় উড়ান শুরু হওয়া নিয়ে দেখা দিল সংশয়।  কলকাতা থেকে দেশীয় যাত্রী উড়ান ৩০ মে চালু করলে ভাল হয়,জানালেন মমতা। তিনি এ নিয়ে কেন্দ্রকে অনুরোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব রাজীব সিংহকে। উল্লেখ্য়, দেশ জুড়ে ইতিমধ্যেই নতুন উড়ান সূচি বানিয়ে ফেলেছে উড়ান সংস্থাগুলি।

আরও পড়ুন, ঘূর্ণিঝড় আমফান এক করলেও রাজনৈতিক দূরত্ব জারি, বাংলার আকাশ পথে মোদী-মমতা


সোমবার, ২৫ মে কলকাতা থেকে দেশীয় উড়ান শুরু হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার নবান্নে জানালেন, রাজ্যের যা পরিস্থিতি, তাতে কলকাতা থেকে দেশীয় যাত্রী উড়ান ৩০ মে চালু করলে ভাল হয়। তিনি আরও জানিয়েছেন, বাগডোগরা থেকে ২৮ মে চালু করা যেতে পারে।   এ বিষয়ে কেন্দ্রকে অনুরোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব রাজীব সিংহকে। এ দিনই ফেসবুক লাইভে বিমানমন্ত্রী হরদীপসিংহ পুরী জানান, করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে জুন মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক যাত্রী উড়ানও চালু করতে আগ্রহী কেন্দ্র। 

আরও পড়ুন, ঘূর্ণীঝড় আমফানের থাবা শহরের ৩০০টি রেশন ঘরে, ক্ষতিগ্রস্থ ৯০ কোটির খাদ্য়সামগ্রী


কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রের খবর, আপাতত ২৫ মে থেকে প্রতি দিন ৮০টি উড়ান কলকাতায় নামার কথা। গড়ে ১০০ জন করে যাত্রী এলে প্রতি দিন অন্য শহর থেকে কলকাতায় আসবেন প্রায় ৮ হাজার যাত্রী। প্রতি দিন এত যাত্রীকে সরকারি কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো রাজ্যের পক্ষে সম্ভব নয়। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, হোম-কোয়ারেন্টাইনের অনুরোধ করা হবে। সেটা না-মানলে কী করা হবে তা বলা হয়নি। তাঁদের উপরে সরকারি নজরদারি চালানো কার্যত অসম্ভব।কলকাতার ক্ষেত্রে, ওই যাত্রীকে একটি ফর্ম পূরণ করার কথাও বলা হতে পারে। সেখানে নিজের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। প্রতিটি উড়ান সংস্থাকেও পুরো যাত্রী তালিকা এবং তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরকে দিতে হবে। বিমানবন্দর সূত্রের খবর, কলকাতায় নামার পরে কোনও যাত্রীকে পরীক্ষার সময়ে সন্দেহ হলে তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হবে। উল্লেখ্য়, সোমবার থেকে দেশীয় উড়ান চালানোর বিষয়ে আপত্তি এসেছে বিভিন্ন রাজ্য থেকেও। 
 

আরও পড়ুন, ইলিশের মরশুমে ক্ষতির আশঙ্কায় মৎস্যজীবীরা, আমফানের জেরে জলের নীচে অসংখ্য় নৌকা-ট্রলার