ইতি-উতি কোথাও আগুনের চিহ্নমাত্র নেই। ধোঁয়াও চোখে পড়ছে না কারও। অথচ রবিবার সকাল থেকেই পার্কস্ট্রিটের পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্য়াঙ্কে বেজে চলেছে ফায়ার অ্য়ালার্ম। ৯টা থেকে ১০টা টানা এক ঘণ্টা বেজে চলার পর পুলিশ, দমকল এসে বিষয়টির কিনাড়া করে। কিন্তু তাতেও সন্দেহ থেকে যায় সবার মনে। আগুন না থাকলেও কেন ব্য়াঙ্কে এই ধরনের ঘটনা ঘটল,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীরা। রহস্য়ের সমাধান করতে পারছে না খোদ পুলিশ, দমকলও। দমকলকর্মীদের অনুমান, ব্য়াঙ্কের কোনও কারিগরি ত্রুটি থেকে এই ধরনের ঘটনা হয়ে থাকতেই পারে। যদিও সেই কথায় আমল দিতে নারাজ ব্য়াঙ্ক কর্মীরা। 

আরও পড়ুন :সক্রিয় মৌসুমী বায়ু, সঙ্গে নিম্নচাপ! দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

আরও পড়ুন :মহিলার দেহ লোপাট করতে গিয়ে ধরা পড়ে গেল মেয়ে, জামাই, চাঞ্চল্য বেহালায়

তবে ঘটনার সময় প্রায় এক ঘণ্টা ব্য়াঙ্কের নিরাপত্তাকর্মী কোথায় ছিলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নিরাপত্তাকর্মী না থাকাকালীন অন্য় কেউ ব্য়াঙ্কে ঢুকেছিল কিনা তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। যদিও ব্য়াঙ্কের এক কর্মী জানিয়েছেন,ব্যাঙ্ক রবিবার বন্ধ থাকায় আওয়াজটা নিয়ে বেশি মাতামাতি হচ্ছে। এমনিতেই বহুবার আগেও বেজে উঠেছে এই ফায়ার অ্য়ালার্ম। ব্য়াঙ্কের কর্মীরা সেকারণে একে ভুতুরে অ্য়ালার্ম বলে। 

আরও পড়ুন : বাংলায় নির্বাচনের দায়িত্ব সামলেছিলেন, অরুণ জেটলিকে শ্রদ্ধা জানাল বঙ্গ বিজেপি

আরও পড়ুন :ভারী বৃষ্টিতে কি সপ্তাহান্তে ভোগান্তি, কী জানাল হাওয়া অফিস

তবে এদিন ফায়ার অ্য়ালার্ম বাজতেই প্রথম থেকেই সতর্ক ছিল দমকল বাহিনী। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই  ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। যদিও ব্য়াঙ্কের গেট বন্ধ থাকায় ঢুকতে পারেননি তাঁরা।  ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ এবং ইলেকট্রিক সাপ্লাইয়ের অফিসাররা। খবর পাওয়ার পর ব্যাঙ্কের এক কর্মী ঘটনাস্থলে পৌঁছন। শেষে তালা খোলেন তিনিই। অবশেষে খোলা  হয় ব্যাঙ্কের গেট। ভিতরে ঢোকেন দমকলকর্মীরা। বন্ধ করা হয় এলার্ম। এই ঘটনায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পথচলতি মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ফায়ার অ্য়ালার্ম ঘিরে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক।