বাইক ট্যাক্সির জন্য  নয়া নিয়ম আনতে চলেছে রাজ্য় সরকার। বদলাচ্ছে বাইক ট্যাক্সির কর কাঠামোও।  তবে এর পিছনে কারণটাও সুদূর প্রসারী। অনেকেই ব্যক্তিগত কাজের জন্য় বাইক কিনে ব্যবহার করছে ব্যবসায়িক কাজে। গত দেড় বছর ধরে এই সব কিছুর উপরই নজর রাখছিল  রাজ্য সরকার। অবশেষে ব্যক্তিগত বাইকের, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করায় যবনিকা টানতে চাইছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন, ফের অভিনব উপায়ে সোনা পাচার, কলকাতা বিমানবন্দরে গ্রেফতার মহিলা

সূত্রের খবর, ই-কমার্সের কাজের জন্য আজকাল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এই বাইক। এছাড়াও যাত্রী পরিবহণের জন্য এই বাইক ব্যবহার করা হচ্ছে । রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অ্যাপ নির্ভর বাইক ট্যাক্সি ছুটে বেড়াচ্ছে। আর এর সমস্ত কিছুই হচ্ছে ব্যক্তিগত  বাইক রেজিষ্ট্রেশন করার মধ্য় দিয়ে। অভিযোগ,  এর জন্য রাজ্য সরকারকে কোনও কর দেওয়া দেওয়া হচ্ছে না।  অভিযোগ, কর বাবদ যে টাকা নেওয়া হয় তা অনেকের পক্ষেই দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না।  তাই রাজ্য সরকার এবার  এই সমস্ত বাইক ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিয়ে আসছে।  

আরও পড়ুন, রাত বাড়লেই ইলসেগুড়ি বঙ্গে, সোমবার থেকেই ফের নামবে পারদ কলকাতায়

বাইক ট্যাক্সি হিসাবে গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন করাতে গেলে আগে দিতে হত ৫০০ টাকা। এককালীন এই টাকা দেওয়া হত অ্যাপ্লিকেশন ফিজ হিসাবে। তার বদলে এখন থেকে মাত্র ১০০ টাকা নেওয়া হবে। রাজ্য সরকারের অনুমান,   এতে অনেকেরই সুবিধা হবে। অপরদিকে, এই সমস্ত বাইক যদি ট্যাক্সির মত করে পাশাপাশি ৫ জেলায় চলতে শুরু করে তাদের পারমিট ফি বাবদ জমা দিতে হত ২৫০০ টাকা। এবার সেটাও কমিয়ে ১০০০ টাকা দিলেই সেই পারমিট ফি গ্রান্ট হবে। এছাড়া  রাজ্যে  বাইক ট্যাক্সি চালাতে  পারমিট ফি বাবদ দিতে হত ১০০০০ টাকা। এখন মাত্র ২০০০ টাকা দিলেই মিলবে পুরো রাজ্যে জুড়ে বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য বাইক চালানোর অনুমতি। এক লাফে কমিয়ে দেওয়া হল সিগনেচার ফিজ। পুরনো নিয়মে বাণিজ্যিক গাড়ি চালাতে গেলে নুন্যতম কর দিতে হত প্রায় ৮০০০ টাকা। এখন থেকে সেই টাকা কমিয়ে করা হল মাত্র ৭৮০ টাকা। এছাড়া তুলে নেওয়া হল কাউন্টার সিগনেচার ফিজও। সব মিলিয়ে কর ফাঁকি না দিয়েই বাইক ট্য়াক্সির মালিকদের নতুন যাত্রা শুরু হতে চলেছে।