কেন্দ্রীয় সরকারের ধাঁচে বেতন কমান  মমতাকে আহ্বান জানালেন রাজ্য়পাল বাংলার মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন কমানোর পরামর্শ  টুইটারে মুখ্য়মন্ত্রীর উদ্দেশ্য়ে বার্তা ধনখড়ের 

কেন্দ্রীয় সরকারের ধাঁচে এবার বাংলার মন্ত্রী, বিধায়কদেরও বেতন কমানোর পরামর্শ দিলেন রাজ্য়পাল জগদীপ ধনখড়। টুইটারে মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উদ্দেশ্য়ে এই বার্তা দিয়েছেন তিনি। রাজ্য়পাল বলেছেন, করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে রাজ্য়ের বিধায়ক মন্ত্রীদেরও ৩০ শতাংশ অর্থ করোনা মোকাবিলায় ব্যয় করা উচিত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ওষুধের জন্য় বন্ধু মোদীও শত্র্ু ট্রাম্পের, কেন করোনায় মহৌষধি হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন..

করোনা ভাইরাসের জেরে ধাক্কা খেয়েছে দেশের অর্থনীতি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আরও একবার জনস্বার্থে ভূমিকা নিয়েছে মোদী সরকার। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের জন্য দেশের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের বেতন ৩০ শংতাংশ কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে সিলমহর দেওয়া হয়েছে। ওই টাকা করোনাভাইরাস ও তার পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় খরচ করা হবে। 

এই মুহূর্তে কলকাতার সেরা ১০ খবর,যা আপনাকে ভাবাবেই..

প্রকাশ জাভড়েকর আরও জানিয়েছেন, ১৯৫৪ সালে মন্ত্রী-সাংসদদের বেতন ও ভাতা আইনে পরিবর্তন আনার জন্য একটি অর্ডিন্যান্স আনা হয়েছে। তাতে সায় দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পয়লা এপ্রিল থেকেই এই নিয়ম কার্যকর হবে। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী বেতন ২লক্ষ টাকা। রাষ্ট্রপতি বেতন ৫ লক্ষ টাকা। তাঁরাও বেতনের ৩০ শতাংশ কম টাকা নেবেন। 

লকডাউন 'এফেক্ট',কল খুলতেই কালো জল কলকাতায়...

নতুন নিয়ম মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ও উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাউডুই তাঁদের বেতনের ৩০ শতাংশ টাকা না নেওয়ার সিদ্ধান্তে নিয়েছেন। দেশের মানুষের স্বার্থেই দেশের প্রধানরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পাশাপাশি সব রাজ্যের ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের রাজ্যপালরাও ৩০ শতাংশ কম বেতন নেবেন বলে জানিয়েছেন। 

কেন্দ্রীয় সরকারের এই জনস্বার্থ নীতির প্রশংসা করে টুইট করেছেন রাজ্য়পাল। টুইটে ধনখড় বলেছেন, কোভিড ১৯-এর সঙ্গে লড়াইয়ে নেমে প্রধানমন্ত্রী-সহ সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সাংসদরা ৩০ শতাংশ করে বেতন দিচ্ছেন। বেতনের ৩০ শতাংশ ছাড়তে রাজি রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, রাজ্যপালরাও। আমি কোভিড১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাজ্যের বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের মুখ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে যাতে তারাও এক বছরের ৩০ শতাংশ বেতন দিয়ে করোনা মোকাবিলায় সহযোগিতা করেন তার আবেদন জানাচ্ছি।