যুবকের ঝুলন্ত দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য় ছড়াল আরজি কর হাসপাতালে। হাসপাতালের ভিতরের গাছ থেকেই উদ্ধার করা হল ওই যুবককে। যুবককে প্রথম দেখতে পান স্থানীয়রা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেই যুবককে উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে, যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্য়েই ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে যুবকের দেহ। পুলিশি সূত্রে  জানা গিয়েছে যে , ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে তবেই যুবকের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে তা সঠিক ভাবে জানা যাবে। তবে হাসপাতাল চত্ত্বরে, এই ঘটনা ঘটায় রীতিমত উত্তেজনা ছড়িয়েছে আরজি কর হাসপাতালে।

আরও পড়ুন, ফের হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, ঠান্ডায় কাঁপছে কলকাতা


সূত্রের খবর, যুবকের পকেটে থাকা আধার কার্ড থেকে নাম জানতে পারে পুলিশ। পুলিশি সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম কমল ধীবর। তবে কীভাবে হাসপাতাল চত্ত্বরে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে। পুলিশ সূত্রে খবর, যুবকের বাড়ি বীরভূমের দেবীপুরে। মৃত ওই যুবকের পকেট থেকে পাওয়া আধার কার্ডেই  মিলেছে এই তথ্য।  আরও জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে সুন্দরী বাগদী নামের এক মহিলাকে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করেন মৃত যুবক কমল। হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন সুন্দরী। বুধবার ভোরেই তিনি মারা যান। সুন্দরী বাগদী নামের ওই মহিলা , সম্পর্কে তিনি  যুবকের বৌদি হন।

আরও পড়ুন, আমরা কি দোষ করলাম, নাম না করে 'দীপিকাদের খোঁচা' জেএনইউ-এর উপাচার্যের


 পুলিশি সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে এই দু জনই পুণেতে থাকতেন। অন্যদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, অন্ধ্রপ্রদেশের পালসা স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ট্রেন থেকে পড়ে গিয়ে জখম হন সুন্দরী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে আরজিকর হাসপাতালে ভর্তি করেন কমল ধীবর। পুলিশের প্রাথমিকভাবে অনুমান, বৌদির মৃত্য়ু সংবাদ পেয়ে শেষ অবধি  ঠিক থাকতে পারেননি  কমল।  মৃত্যুর খবর সহ্য করতে না পেরেই শেষ অবধি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন ওই  যুবক।