সোমবার ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস। '২১ ফেব্রুয়ারি কালচারাল প্রোগাম নয়, রাজনৈতিক', ভাষা দিবসে টুইট বার্তা বাংলা পক্ষের।  

'২১ ফেব্রুয়ারি কালচারাল প্রোগাম নয়, রাজনৈতিক', ভাষা দিবসে ( International Mother Language Day ) টুইট বার্তা বাংলা পক্ষের( Bangla Pokhho)। এদিন সারা শহরে কম বেশি অনুষ্ঠান হয়েই চলেছে। তারই মাঝেই বিতর্কিত প্রতিক্রিয়া দিয়ে টুইচ করে জানিয়েছে বাংলা পক্ষ। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

Scroll to load tweet…

এদিন টুইট বার্তায় বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, 'বাংলার চাকরি, বাজার, পুঁজি, জমি বাঙালির দখলে আনার রাজনীতি অর্থাৎ বাঙালির অধিকারের রাজনীতি ছাড়া ২১ ফেব্রুয়ারি হয় না। ২১ ফেব্রুয়ারি হয় না। ২১ ফেব্রুয়ারি কালচারাল প্রোগাম নয়। ২১ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক।' এদিনের টুইট বার্তায় রাজ্য়ের বিরোধী দলকে রীতিমতো তোপ দাগ বাংলা পক্ষ।প্রসঙ্গত,এই দিন প্রথমে শহীদ দিবস, হিসেবে পালিত হত বাংলাদেশে। ১৯৯৯ সালে ১৭ নভেম্বর রাষ্ট্রপুঞ্জের অধিবেশনে বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব এনেছিল। এই প্রস্তাব ভারত, ইরান, ইতালি, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি ২৭টি দেশ সমর্থন জানায়। ফলে রাষ্ট্রপুঞ্জের সভায় প্রস্তাবটি পাস হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। তবে ২০১০ সালের ৫ অগাস্ট রাষ্ট্রসংঘ সিদ্ধান্ত নেয় একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে।

আরও পড়ুন, '১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে সিট', আনিস হত্যাকাণ্ডের ইস্যুতে বার্তা মমতার

মূলত, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ঘটনাকে স্মরণ করে বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষার অধিকার এবং সম্মানরক্ষার জন্য দিনটি বিশেষ ভাবে পালিত হয়। ১৯৫২ সালে এই দিনে ভাষা আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর পুলিশের নির্মম গুলি চালানোর ইতিহাস এক রক্তক্ষয়ী ছাপ রেখে গিয়েছে।ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে থেকে এটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এবং সারা বিশ্বে এটা মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। এদিন কলকাতার বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ করা হয়। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ এর মাধ্যমে আজকের দিনটি সূচনা হয়। এরপর একটি সুদৃশ্য প্রভাত ফেরীর শুরু করা হয়েছে। পরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করা হবে।

আরও পড়ুন, আনিস খান খুনের প্রতিবাদে তুলকালাম এন্টালি, মাথা ফাটল ছাত্র পরিষদের সভাপতির, গ্রেফতার একের পর এক

এছাড়াও দিনভর নানারকম কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। শান্তিনিকেতনে অবস্থিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাস, ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হচ্ছে। এছাড়াও রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন সংগঠন ক্লাবের তরফেও যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে এই দিনটি পালন করা হচ্ছে। এদিন বিকালে দেশপ্রিয় পার্কে ভাষা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়- সহ শহর কলকাতার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।