রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলোর বেতনবৃদ্ধি বিষয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি করোনাভাইরাস মোকাবিলার পরিস্থিতির মধ্যেই রাজ্যের কয়েকটি বেসরকারি স্কুল টিউশন ফি বৃদ্ধি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। নাম না উল্লেখ করেই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সেই বেসরকারি স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে কড়া মনোভাবের কথা জানালেন শিক্ষা মন্ত্রী। 

আরও পড়ুন, লকডাউনে পরিযায়ী শ্রমিকদের তিনি প্রাণের মানুষ, দুবেলা পেট ভরে তাঁদেরকে খাওয়াচ্ছেন পাটুলির দাশু সাহা

 এক ভিডিও বার্তায় পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গ সরকার সর্বশক্তি দিয়ে জনসাধারণকে রক্ষা করার জন্য একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।  অভিভাবকরা অভিযোগ জানিয়েছেন, এই রকম অবস্থায় আমাদের রাজ্যের কিছু বেসরকারি বিদ্যালয় টিউশন ফি বৃদ্ধি করেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমি- রাজ্য সরকার, শিক্ষা দফতরের  পক্ষ থেকে বেসরকারি বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে পরিস্থিতি বিচার করে ফি বৃদ্ধি না করার আবেদন করছি।' অপরদিকে, শুধু ফি বৃদ্ধি নয়, করোনার ধাক্কায় যে ছাত্রছাত্রীর পরিবার মাসিক বেতন দিতে পারবে না, তাদের কথা মানবিক দিক থেকে বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। 

৫০০ টাকা করে ঢুকছে অ্যাকাউন্টে, মোদীকে নমস্তে জানালো কলকাতা

রাজ্য়ে ক্রমশই বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। আর সেই করোনাভাইরাসকে রুখতে রাজ্য়-জুড়ে চলছে লকডাউন। অবশ্য লকডাউন এর আগে থেকেই রাজ্যে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বন্ধ করার ঘোষণা হয়েছে। লকডাউনের জেরে অনেক বেসরকারি স্কুলেই এখনও পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়নি। তবে ক্লাস শুরু না হলেও কয়েকটি বেসরকারি স্কুল পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের জন্য টিউশন ফি বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ আসে। এখানেই নয়, কয়েকটি স্কুলের তরফে মার্চ ও এপ্রিল মাসের বেতন দেওয়ার কথা অভিভাবকদের এসএমএস মারফত জানানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আর এ নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই বিষয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকাও জারি করতে চলেছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর।

নিজামুদ্দিন ফেরত কতজন রাজ্য়ে, বিজেপির অভিযোগের জবাব দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

 

এনআরএস-র আরও ৪৩ জন স্বাস্থ্য কর্মীর রিপোর্ট নেগেটিভ, স্বস্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

করোনার রোগী সন্দেহে বৃদ্ধকে বেধড়ক মার, স্যালাইনের চ্যানেল করা হাতে দড়ি পড়ালো মানিকতলাবাসী

করোনায় আক্রান্ত এবার কলকাতার ২ ফুটপাথবাসী, হোম কোয়ারেন্টাইনে উদ্ধারকারীরা