রবিবার ছুটির দিনে এলজিবিটি কমিউনিটির মানুষদের নিয়ে ফ্য়াশন শো-এ শহর মাতালো দেবারতি গুহ-র 'সাঁঝবাতি'। যাবতীয় সোশ্য়াল ট্য়াবুকে ভেঙে ফ্য়াশন-র নতুন দৃষ্টিকোণ তৈরি করল ওরা। অপরদিকে ফ্য়াশন শো-র নামটা 'রেইবো সানডে' হয়ে ততটাই মানানসই এবং প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠল। 

 

 

আরও পড়ুন, শীতের পর বসন্তেও জারি আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা, কলকাতা সহ রাজ্যে ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা

ফ্য়াশনের এত দিনের ধারাবাহিক কনসেপ্টকে পুরোপুরি নতুন আঙ্গিকে প্রতিষ্ঠা করল 'সাঁঝবাতি'-র মডেলরা। তবে দেবারতি, তাঁর 'সাঝবাতি'-র মাধ্য়মে তুলে ধরল এলজিবিটি কমিউনিটির মানুষদের। অপরদিকে তাদের মধ্য়ে অনেকেই শারীরিক প্রতিবন্দকতাতে পেরিয়ে, কেউ জাতীয় স্তরে লং জাম্প খেলেছেন কেউবা প্য়ারা-অলিম্পিকের প্রতিযোগী। আর তারা সবাই মাথায় রক্তজবা, কপাল ভর্তি লাল আবিরের পরশ, মেকাপেও মাটির ছোঁওয়া আর সঙ্গে দেবারতির স্মার্ট সুতির পোশাকে বাজিমাত করল রেইবো সানডে' ফ্য়াশন শো। একদিকে বসন্ত উৎসবের প্রাক্কালে ফ্য়াশানেবেল সুতির পোশাক মন ছুয়ে গেল তাই সবারই। এলজিবিটি কমিউনিটি-র প্রত্য়েকেই ভীষন খুশি  ফ্য়াশন শো-এ অংশ নিয়ে। তারা জানালেন আর দশটা মানুষের মতই যে তারও সবকিছুতেই অংশ নিতে পারেন, এটা সকলের বোঝার সময় এসেছে। প্রচলিত পথের বাইরে গিয়ে তাই ওরা সকলে মন ছুঁয়ে গেল।

 

 

আরও পড়ুন, কালীঘাটে মায়ের গলায় পদ্মের মালা, মন্দিরে নিজ হাতেই পুজো সারেন অমিত শাহ


শহর কলকাতায় এমন  ফ্য়াশন শো-তে স্বাভাবিকভাবেই সাড়া জাগাল মানুষের চেতনায় আর বিবেকে। তাই গঠনমূলক কিছু সৃষ্টিশীল কাজ করার জন্য় যে মাঝেমাঝে সীমা লঙ্ঘন করতে হয়, ভাঙতে হয় বস্তা পচা কনসেপ্ট তাই করে দেখাল দেবারতি গুহ-র 'সাঁঝবাতি'। তবে আরও বেশি মন ছুয়ে গেল, যখন শেষটায় হেটে এলেন তিনি, যার হাত ধরে দেবারতি হাটতে শিখেছিলেন। শো স্টপার হলেন তাঁর মা, করলেন মন জয় সবার।

আরও পড়ুন, নাম বদলাচ্ছে 'মাদার ডেয়ারি', মিশে যাচ্ছে 'বাংলার ডেয়ারি'-র সঙ্গে