রবিবারসীয় সকালেই ভবানীপুর উপনির্বাচন কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুভাষ সরকার। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার শুরু করেন তিনি। প্রচারে বেরিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। 

ভোটের (Election) আগে হাতে আর বেশি সময় বাকি নেই। তাই ভবানীপুর উপনির্বাচনের (Bhawanipur By election) প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে তৃণমূল (TMC) ও বিজেপি (BJP) দুই দলই। আজই ছিল শেষ রবিবারের প্রচার (Sunday Campaign)। আর বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের (Priyanka Tibrewal) হয়ে আজ প্রচার করতে ভবানীপুরে পৌঁছে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার (Subhas Sarkar)। সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের (Local People) কাছে ভোট চাইতে যান তিনি। কথাও বলেন স্থানীয়দের সঙ্গে। আসলে প্রচারে একটা চমক দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, প্রচারের সময় যে তাঁকেই চমকে যেতে হবে তা ভাবতেই পারেননি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিবারসীয় সকালেই ভবানীপুর উপনির্বাচন কেন্দ্রের অন্তর্গত ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছে গিয়েছিলেন সুভাষ সরকার। সেখানে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার শুরু করেন তিনি। প্রচারে বেরিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। বিভিন্ন ভাষার মানুষের সঙ্গেই কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। পার্ক থেকে শুরু করে রাস্তা ও দোকানে গিয়েও হাতজোড় করে সবার কাছে ভোট চান। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে বিজেপিকে জয়ী করার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। তার সঙ্গে সবার হাতে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের লিফলেটও তুলে দেন। হাসিমুখে সবাই তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। সব ঠিকই ছিল। কর্মীদের সঙ্গে পায়ে হেঁটেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাচ্ছিলেন। 

আরও পড়ুন- শোভনের বেহালার বাড়ির মালিক এখন বৈশাখী, আকাশ ভেঙে মাথায় হাত রত্নার

আর এই প্রচারে এক মমতা সমর্থকের কাছে গিয়ে বিজেপির হয়ে সওয়াল করেন সুভাষ সরকার। ব্যস তখনই তাঁর সামনে পাল্টা যুক্তি খাঁড়া করে দেন ওই ব্যক্তি। পার্ক দিয়েই যাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। বাকি স্থানীয়দের সঙ্গে যেমন ভাবে কথা বলেছেন তেননই এই ব্যক্তির সঙ্গেও কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন মন্ত্রী। শুরুতেই ওই ব্যক্তিকে মন্ত্রী বলতে গিয়েছিলেন, "আমরা একটা মেসেজ দিতে চাই যে দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে বিজেপিকে ভোট দিন।" ব্যস এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তি মন্ত্রীকে সাফ জানিয়ে দেন, "যে সব রাজ্যে বিজেপি সরকার রয়েছে সেই রাজ্যগুলির তুলনায় বাংলায় দুর্নীতির হার অনেক কম। এটা আপনাদের কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যানই বলছে।" 

আরও পড়ুন- মমতার পাড়ায় সিপিএমের ভোট প্রচারে বাধা, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি সুজনের

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আশপাশের কর্মীরা ওই ব্যক্তিকে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু, মন্ত্রীর সামনে পুরো কথা না বলে থামবেন না বলে ঠিক করেছিলেন তিনি। এরপর তিনি বলেন, "আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থক, তাই মমতাকেই ভোট দেব।" কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে একথা সাফ জানিয়ে দেন তিনি। তারপর পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সেখান থেকে চলে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। 

আরও পড়ুন- Prashant Kishor: 'পিকে ভবানীপুরের ভোটার, বাংলার মেয়ে কি তবে বহিরাগত চায়', তোপ BJP-র

প্রচারে চমক দিতে গিয়ে মন্ত্রী নিজেই চমকে গিয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এমনকী, প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের লিফলেটও হাতে নিতে অস্বীকার করেছিলেন ওই ব্যক্তি। তবে একজনের কথায় থমকে গেলে কী হবে প্রচারে ভাটা পড়তে দেননি মন্ত্রী। বাকিদের সঙ্গে খোশমেজাজেই গল্প করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। প্রচারের মাঝে আবার কর্মীদের সঙ্গে গরম চায়ে চুমুকও দেন তিনি।

YouTube video player