মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে সবে। ফলে বেরোনোর এখনও ঢের দেরি। তবে উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিল মধ্য়শিক্ষা পর্ষদ। এবার থেকে মন চাইলেই কারও নম্বর কাটতে পারবে না শিক্ষকরা। কোনও পরীক্ষার্থীর নম্বর কাটতে গেলে কারণ উল্লেখ করতে হবে তাদের। এমনই নয়া বিধি এনেছে পর্ষদ।

কালিয়াগঞ্জে 'কল্পতরু' দিদি, চার প্রকল্পে বাজিমাত মমতার

অতীতে দেখা গিয়েছে, পাঁচ নম্বরের প্রশ্নে ৩ দিলে তার কারণ ব্যাখ্যা করতে হত না মূল্যায়নকারীদের। কিন্তু এবার থেকে সেই পথে হাঁটতে পারবেন না শিক্ষকরা। আগে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে  দেখা যেত, বড় নম্বরের প্রশ্নে আরও ভালো উত্তর লেখার যুক্তি দেখিয়ে হামেশাই নম্বর কাটতেন শিক্ষকরা। এবার তা করতে গেলেও দেখাতে হবে যুক্তি। 

কলকাতার বুকে গোলি মারো স্লোগান, রাজ্য়পাল বললেন ০.১ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ

চলতি বছরে  ১৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় মাধ্যমিক পরীক্ষা। শেষ হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি। যদিও এবারও প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে পারেনি পর্ষদ। পরীক্ষা চলাকালীন একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া সত্ত্বেও এ বছরও পরীক্ষা শুরু হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রশ্নপত্রের ছবি। বার বার এর জেরে অস্বস্তিতে পড়তে হচ্ছে পর্ষদকে। 

তৃণমূল থেকে রাজ্য়সভায় প্রশান্ত কিশোর, এখনও সিদ্ধান্ত নেননি বললেন পিকে

এ বিষয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন নম্বর কাটা হচ্ছে সেই কারণ উল্লেখ করে দিতে হবে উত্তরপত্রে। কোনও ছাত্রকে পাঁচের জায়গায় দুই দেওয়া হলে তার য়ুক্তি দিতে হবে পরীক্ষককে।  চলতি বছর থেকেই চালু হতে চলেছে এই পদ্ধতি।