আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। এরপরেই নতুন পোষাক, আলোর রোশনাই-তে সেজে উঠবে বাংলা। পাপ ও দুর্গতিকে বিনাশ করতে মর্তে অবতীর্ণ হচ্ছেন দেবী দুর্গা। শরতের মেঘলা আকাশ, শিউলি ফুলের গন্ধ জানান দিচ্ছে সে কথা। আর এরই মধ্যে নিজেদের নতুন নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে প্যান্ডেলের কাজ শুরু করেছে দুর্গা পুজো কমিটি এবং ক্লাবগুলি। কলকাতার পুজো মানেই থিমের দৌড়ে কে এগিয়ে কে পিছিয়ে। 

দেখে নিন- নাম লেখাননি এখনও, দেরি না করে অংশ নিন এশিয়ানেট নিউজ শারদ সম্মান ২০১৯-এ

উত্তর কলকাতার সাবেকিয়ানার ধারা বজায় রেখে পুজোর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সিমলা ব্যায়াম সমিতি। এক সময় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু যে পুজোর উদ্বোধন করেছিলেন। সেই পুজো এই বছর পা রেখেছে ৯৪ তম বর্ষে। শিল্পী বাসুদেব রুদ্র পালের নজরদারিতে খুব দ্রুত এগিয়ে চলেছে প্রতিমা সংক্রান্ত কাজগুলি।

আরও পড়ুন- শান্তির বাণী-ই এবার মূলমন্ত্র নেতাজি কলোনির লো ল্যান্ড এর

সহ সম্পাদক শ্রীধর কুন্ডু দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে পুজোয় যোগদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন তাদের পুজো হতাশ করবে না দর্শকদের। পুজো উপলক্ষ্যে একটি ছোট মেলা আয়োজিত হয় প্রতিবার সঙ্গে দর্শকদের জন্য ভোগ-প্রসাদের ব্যবস্থাও থাকছে। সব মিলিয়ে সিমলা ব্যায়াম সমিতির এবারের পুজোর বাজেট ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। ডেকরেশনের দায়িত্বে আছে নিউ মা শীতলা ডেকোরেটার্স। 

আরও পড়ুন- ক্রমবর্ধমান 'অস্তিত্ব'-এর সংকট থেকে বেরিয়ে আসার রাস্তা দেখাবে কাশীবোস লেন
এক সময় এক চালায় পুজো হওয়া এই প্রতিমাকে ৫ চালায় ভাগ করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দের মেজো ভাই মহেন্দ্রনাথ দত্ত। থিম পুজোর রমরমার এই যুগে যদি কেউ সাবেকিয়ানার স্বাদ পেতে চান, তবে আসতেই হবে উত্তর কলকাতার ইতিহাসের গন্ধ মাখা এই পুজোয়।