শহরের ৩১টি হোটেলে কোয়রান্টিনে থাকার অনুমতি মিলল  বুধবার স্বাস্থ্য দফতর, এই হোটেলের তালিকা প্রকাশ করে  যিনি হোটেলে কোয়রান্টিনে থাকবেন, খরচ তাঁকেই দিতে হবে   কোয়রান্টিনে রাখাতে হোটেল কর্তৃপক্ষকেও মানতে হবে নিয়ম   

করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া বাড়ছে ক্রমশ। এদিকে উপসর্গ দেখা দিলে বা বিদেশ থেকে ফিরে অনেকেই সরকারি কোয়েরান্টিন সেন্টারে যেতে চাইছেননা। যার দরুণ অনেকেই বিদেশ যাত্রার কথা লুকিয়ে রাখছেন। আর সেখান থেকেই তৈরি হচ্ছে বড়সড় বিপদ। আর এবার সেই বিপদ এড়াতে এবার হোটেলে 'কোয়রান্টিন' থাকার বন্দোবস্ত করল রাজ্য সরকার। তবে হোটেলের খরচ যিনি কোয়রান্টিনে থাকবেন, তাঁকেই দিতে হবে। এক্ষেত্রে হোটেলের খরচ সরকার বহন করবে না।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, কলকাতায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১, রাজ্য়ে সংখ্যা বেড়ে এবার ১০

বুধবার স্বাস্থ্য দফতর শহরের ৩১টি হোটেলের তালিকা প্রকাশ করেছে। যে গুলি বেশিরভাগই কলকাতার রাজারহাট-নিউটাউন এলাকায়। তবে কোয়রান্টিনে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে হোটেল সর্বাধিক কত টাকা নিতে পারবে তা বেঁধে দিয়েছে রাজ্য সরকার। তিন তারা হোটেলে থাকার খরচ দৈনিক ৭ হাজার টাকা। আবার অন্য হোটেলে ২ হাজার ২০০ টাকা দিয়েও থাকা সম্ভব। কোয়রান্টিনে রাখার জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষকেও মানতে হবে স্বাস্থ্য দফতরের কয়েকটি নিয়ম। প্রথমত, একটি ঘরে একজন ব্যক্তিই কোয়রান্টিনে থাকবেন। ওই ব্যক্তির ঘরে কাউকে যেতে দেওয়া যাবে না। ওই ব্যক্তির ঘর প্রতিদিন নির্দিষ্ট রাসায়নিক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ওই ব্যক্তির ব্যবহৃত বিছানার চাদর এবং অন্যান্য জিনিস আলাদা করে কাচাকাচি করতে হবে।

আরও পড়ুন, এবার করোনা হাসপাতাল রাজারহাটে, থাকছে একাধিক চিকিৎসক সহ ৫০০টি বেড


অপরদিকে, ১৪ দিনের আগে ওই ব্যক্তি ঘরের বাইরে বেরতে পারবেন না। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখা হবে। স্বাস্থ্য কর্তাদের বক্তব্য, আমলাপুত্র থেকে শুরু করে বালিগঞ্জের ব্যবসায়ী পুত্র, বিদেশ থেকে ফেরা সত্ত্বেও গোটা বিষয়টি লুকিয়ে রেখেছিলেন। জানা গিয়েছে তাঁরা সরকারি কোয়রান্টিন সেন্টারে যেতে চাননি। তবে এবার অনেকের মতে, তবে এই বিকল্প ব্য়বস্থা চলে আসায় করোনার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।

আরও পড়ুন, গমগম করা ভিক্টোরিয়া যেন একেবারে ভুতুড়ে বাড়ি, খাঁ খাঁ করছে গোটা চত্বর, দেখুন ভিডিও