করোনা রুখতে প্রস্তুত বাংলা। মূলত ৪টি ক্যাটেগরিতে চিহ্নিতকরণ করল স্বাস্থ্য ভবন।এই পদ্ধতির নাম মূলত দেওয়া স্ট্য়ান্ডার্ড অপারেশন প্রসিঢিওর বা এসওপি। শনিবার এই নিয়ে বৈঠক চলে স্বাস্থ্য় ভবনে। অবশেষে ঠিক হয় যে কারা নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আর কারা নয়, সে বিষয়ে ক্যাটেগরিক্যালি আলাদা আলাদা ভাবে সাধারণ মানুষকে চিহ্নিত করা হবে। 

আরও পড়ুন, করোনার কোপে এবার বন্ধ জাদুঘর- সায়েন্স সিটি, রাজ্য় জুড়ে সতর্কতা তুঙ্গে

সূত্রের খবর,  স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তীর (ডিএইচএস) জানিয়েছেন এই বিষয়ে স্বাস্থ্যকর্মী, চিকিৎসক, আশাকর্মী এবং যাঁরা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে কাজ করেন তাঁদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও শুরু হচ্ছে রবিবার থেকেই। ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নির্দেশিকাও। ক্য়াটাগরি এ, বি, সি এবং ডি। যাদের সর্দি কাশির লক্ষণ রয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে ভারতে ফিরেছেন, তাদের কে ক্য়াটাগরি-'এ' তে রাখা হবে। এ ক্য়াটাগরি মূলত হাইরিক্স  হিসাবে চিহ্নিত করে আইসোলেশনে রেখে পর্যবেক্ষন করা হবে। ক্য়াটাগরি-'বি' হল, যারা সম্প্রতি বিদেশ যাননি কিন্তু করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছে। তাদেরকে মডারেট রিস্ক হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। ক্য়াটাগরি -'সি' হল, যাদের বিদেশ যাওয়ার রেকর্ড আছে, কিন্তু করোনা উপসর্গের কোনও লক্ষণ নেই শরীরে, তাদেরকে ১৪ দিন আইসোলেশনে রাখা হবে।  যাদের বিদেশ যাওয়ার রেকর্ড নেই এবং করোনা ভাইরাসের কোনও লক্ষন বা উপসর্গ পাওয়া যায়নি শরীরে , তাদেরকে 'ডি'- ক্য়াটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন, করোনা মোকাবিলায় কড়া নজরদারি রাজ্য সরকারের, রাজারহাটে প্রস্তুত 'কোয়ারান্টাইন'

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য়, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য় মন্ত্রক থেকে ইতিমধ্য়েই রাজ্য় এবং সংস্থাকে আগাম করোনা ভাইরাস নিয়ে আগাম সতর্কতা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্টেডিয়াম, থিয়েটার, সিনেমা হল সহ সব জায়গাতেই কোনওরকম জমায়েতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।  এই মুহূর্তে বিশ্বের প্রায় ১২৩ টি দেশে কামড় বসিয়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা। এক লক্ষ পচিশহাজারেরও বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। চিনে মৃতের সংখ্যা তিনহাজার ছাড়িয়েছে। ভারতেও আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে আশি ছাড়িয়েছে। তাই করোনা মোকাবিলায় কোনও রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় রাজ্য় সরকার। 

আরও পড়ুন, দলে এলেও পদ্ম কাঁটা, শোভনকে মেয়র প্রোজেক্ট করবে না তৃণমূল