রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্য়া দিনের পর দিন বাড়তে শুরু করেছে।  ইতিমধ্য়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে  রাজ্য়ের একাধিক 'করোনা হাসপাতাল' তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর এবার সেই তালিকায়  'করোনা হাসপাতাল' হিসেবে নয়া সংযোজন হল 'ঠাকুরপুকুর হাসপুকুর হিউমিনিটি হসপিটাল'।  

বাড়িতে আলো জ্বালাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, মোমবাতি হাতে রাস্তায় অতি উৎসাহীরা
 
জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই হসপিটাল এর চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানেই 'ঠাকুরপুকুর হাসপুকুর হিউমিনিটি হসপিটাল'কে 'করোনা হাসপাতাল' রূপ দেবার প্রস্তাব আসে। হিউমিনিটি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অজয় মিস্ত্রি জানান, এইরকম আপদকালীন অবস্থায় তার এই হসপিটালকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যদি ঠিকমতো পরিকাঠামো তৈরি করে 'করোনা হাসপাতাল' বানায় তাহলে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারে কাছে তিনি বাধিত হবেন। তিনি এও জানান এইরকম অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পাশে থাকলে একজন সাধারন মানুষ হিসেবে তিনি কৃতজ্ঞ থাকবেন।

শহরে দেদার শব্দবাজি ফাটানোর অভিযোগ, মোট ৯৮ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ

অপরদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গা থেকে দুস্থ মানুষ, মহিলা ,বাচ্চা সবার জন্য খাবার ব্যবস্থা করেছেন এই হসপিটালে। পাঁচ দিন ধরে এই পরিষেবা তিনি চালাচ্ছেন। একদিকে রান্না করে বসে খাওয়ানোর ব্যবস্থা, অপরদিকে দুস্থ লোকদের চাল, ডাল, আটা,আলু, পেঁয়াজ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও প্রয়োজনমতো ওষুধপত্র দিয়ে সাহায্য করছেন। এছাড়াও বাখরাহাট বিভিন্ন নিষিদ্ধ পল্লীতে গিয়ে সেখানকার মানুষ জনের হাতে তুলে দিচ্ছেন ত্রান। পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে তার কাছে চিঠি এসেছে এই হসপিটালের ক্যাপাসিটি ৫০ বেড সেটা আরও বাড়ানো যেতে পারে এমনটাই জানালেন হিউমিনিটি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অজয় মিস্ত্রি।

 

 রাজ্য়ে করোনায় আক্রান্ত এবার এক নার্স, পরিবারকে কোয়ারেনটাইনে থাকার নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের

করোনা আক্রান্তদের এমআর বাঙ্গুরে স্থানান্তর ঘিরে তুলকালাম, অভিযোগ নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে নার্সরা

পাঁচিল টপকালেই ভাইরাস এক্সপার্ট সেন্টার, তবুও মুখ ফিরিয়ে মেডিক্য়াল কলেজ