একদিকে যেমন শীতকাল মানেই উৎসবের মরসুম। তবে সেই উৎসব ঠিক মতো জমছিল না, তার অন্য়তম কারণ ছিল, সময় মত শহর কলকাতায় শীত না পড়া। আসলে বাঙালির সেই শীতকাল মানেই খেয়ে সুখ, বেড়িয়েও সুখ সেটা যেন শীতের অভাবে অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছিল। আর তারপর ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে শেষমেষ জাঁকিয়ে শীত পড়ল। আর  শহর কলকাতাতেও উৎসবে জমে উঠল। চলতি বছরের শেষদিন গুলিতে এই মুহূর্তে শহরের অন্য়তম মনরঞ্জনের জায়গা হল নিকোপার্ক। আর সেই নিকোপার্কে এবার  বিগত বছরের মতো এ বছরও অন্য়তম আর্কষন রাজস্থানী সংগঠনের তরফে লোকসংস্কৃতির উৎসব। দেখতে দেখতে যা এবার ১৬ বছরে পা দিল।  

আরও পড়ুন, হাড় কাঁপানো শীতে কাবু কলকাতা, তাপমাত্রা আজও স্বাভাবিকের থেকে নীচে


সেদিক থেকে দেখতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, নতুন প্রজন্মের বরাবরের ঝোক পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রতি। ডিজিটালাইজেসনের যুগে তাই দেশের ঐতিজ্য় তথা সংস্কৃতি হারিয়ে যাতে না যায়, তার জন্য় অন্য়তম পদক্ষেপ নিল নিকোপার্ক কর্তৃপক্ষ।  যাদের সেই অর্থে গ্রামে গিয়ে গরুর গাড়ি চড়ার সৌভাগ্য় হয়নি, তাদের জন্য় রয়েছে বিশেষ রংবেরং-র সওয়ারি গরুর গাড়ি। তবে এখানেই শেষ নয় পেট খালি থাকলে অবশ্য়ই মজা নেওয়া যেতেই পারে একপ্রস্থ ঘোড়া গাড়িতে চড়ে। এছাড়াও রয়েছে বিনোদনের অন্য়তম আকর্ষন হিসেবে রণ পা তে করে ঘুরে বেড়ানো কিংবা দড়ির উপর দিয়ে হেটে যাওয়া। এছাড়াও রাজস্থানের আবহ গড়ে তুলতে, কৃত্রিম কুয়োর ব্য়বস্থাও করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন, ফের সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার গাফিলতি নিয়ে অভিযোগ উঠল, এবার এসএসকেম


তবে আরও মজার ব্য়পার এটাই, কাঁপানো শীতে শহরবাসী বেশ উপভোগ করছে, রাজস্থানি গরমা গরম হরেক রকমের মুখোরোচক খাবার। পেট ভরে মনের সুখে,এরপর রাজস্থান-হরিয়ানার ফোক ডান্স খুবই উপভোগ্য়।  রাজস্থান, হরিয়ানার পরম্পরা নতুন প্রজন্ম দের পরিচয় ঘটানোর জন্যই প্রতিবছর এই মেলার আয়োজন করে থাকেন নিকোপার্কের উদ্যোক্তারা। আর এবার উদ্যোক্তাদের আমন্ত্রণে মেলায় হাজির হন বিধান নগরের বিধায়ক ও দমকল ও জরুরী পরিষেবা দপ্তরের মন্ত্রী সুজিত বসু। নিকোপার্কে এক টুকরো রাজস্থান দেখে আপ্লুত তিনি উদ্যোক্তাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।