বাজি ব্যবহার না করার অনুরোধ রাজ্য সরকারের  'এতে আর্থিক সমস্যায় পড়বেন বাজি ব্যবসায়ীরা'   তাঁদের দাবি, 'আতশবাজির অনুমতি দেওয়া হোক'  'তাহলে আর্থিক ক্ষতি কিছুটা হলেও কমবে'


করোনা ভাইরাস আবহের মধ্যে যেকোনো রকম বাজি ব্যবহার না করার অনুরোধ করেছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে সেই অনুরোধ করেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, কলকাতায় এলেন অমিত শাহ, বেরোনোর ১৫০ মিটারের মধ্যেই আগুন

বাজি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব

যদিও রাজ্যের এই আবেদনের পর বাজি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এতে আর্থিকভাবে সমস্যার মধ্যে পড়বেন বাজি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কর্মী থেকে বিক্রেতা প্রত্যেকেই। তাদের দাবি আতশবাজি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হোক। ফলে কিছুটা হলেও বিক্রি হবে বাজি। এতে আর্থিক ক্ষতি কিছুটা হলেও কমবে। এ বিষয়ে আলোচনা করতে বাজি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব। বৃহস্পতিবার হবে এই বৈঠক। বৈঠকে থাকবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্যের এডিজি আইন-শৃঙ্খলা। বাজি ব্যবসায়ী সংগঠনের কর্তা শুভঙ্কর মান্না বুধবার জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠকে তাদের সমস্যার বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন। বাজি ব্যবসার সঙ্গে যারা যুক্ত রয়েছেন তাদের যাতে অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করা যায় সে বিষয় বিবেচনা করে দেখার জন্য রাজ্য সরকারকে অনুরোধ করবেন তারা। 

আরও পড়ুন, বাংলার ২ লক্ষ ছেলে-মেয়ের কর্মসংস্থান-সহজে ব্যাঙ্ক ঋণ, একুশের আগে বড় ঘোষণা মমতার

ভাইরাসের প্রকোপ থাকায় বিক্রি একেবারে না হওয়ার আশঙ্কা

তিনি আরও জানিয়েছেন, বর্তমান এই কঠিন সময়ে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বহু ব্যবসায়ীর কাছে লক্ষাধিক টাকার বাজি মজুত রয়েছে, গত বছর বৃষ্টির কারণে বিক্রির একটা বড় অংশ মার খেয়েছিল। এবছর ভাইরাসের প্রকোপ থাকায় বিক্রি একেবারে না হওয়ার আশঙ্কা। পরপর দু'বছর বড় ক্ষতির সম্মুখীন তারা। প্রসঙ্গত রাজ্য সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শহর কলকাতার সবকটি বাজি বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাজি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি। এতেও আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হবেন তারা।

আরও পড়ুন, বিদায় নিলেন পুরুলিয়ার 'দাবাং' জেলা শাসক রাহুল মজুমদার, আচমকা বদলি ঘিরে জোর জল্পনা