করোনা রুখতে গোটা দেশেই চলছে ২১ দিনের লকডাউন। যার জেরে তলানিতে রোজগার। রাজ্যের ভাঁড়ারে টান পড়ছে। এদিকে করোনা মোকাবিলায় আইসোলেশন ওয়ার্ড, করোনা হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকর্মীদের মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই, খাওয়ার ব্যবস্থা প্রভৃতি করতে প্রচুর খরচ হচ্ছে । এই পরিস্থিতেতে নাজেহাল রাজ্য প্রশাসন। ফলে ব্যয়সঙ্কোচ নীতি নিল প্রশাসন। 

আরও পড়ুন, সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের ক্লাস দূরদর্শনে, প্রশ্ন পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে

বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়োগ বন্ধের পাশাপাশি আপাতত নতুন কোনও প্রকল্প চালু করা হবে না। সংকট কাটলে ফের শুরু হবে কাজ। সরকার এই মুহূর্তে কোনও গাড়ি কিনবে না। কম্পিউটার কেনাও আপাতত স্থগিত। কেনা হবে না কোনও ফানির্চার। শুধু তাই নয়, যা গাড়ি রয়েছে তা দিয়েই কাজ চালাতে হবে। কোনও গাড়ি ভাড়াও নেওয়া হবে না। জিপিএফ-র টাকা তোলার ক্ষেত্রেও বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। জানানো হয়েছে যে, কেবল মাত্র শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিবাহের ক্ষেত্রেই তোলা যাবে টাকা।এখন থেকে রাজ্য সরকার করোনা সংক্রান্ত চিকিৎসা, বেতন-পেনশন, সরকারি ভাতা দেওয়ার প্রকল্প ছাড়া আর কোনও খাতেই খরচ করবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবারই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্যের অর্থমন্ত্রক।

আরও পড়ুন, অনলাইনে দূরপাল্লার ট্রেনের টিকিট বুকিং চালুই রয়েছে , বিভ্রান্তি দূর করতে টুইট রেলের

  নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে, ২০১৯-২০২০ আর্থিক বর্ষে যে যে দফতরের হাতে খরচ না হওয়া যা টাকা পড়ে রয়েছে, সেই টাকা অবিলম্বে অর্থ দফতরে ফেরত পাঠাতে। ফলে এবার থেকে বাকি টাকা শুধুমাত্র করোনা মোকাবিলা ও চিকিৎসা খাতেই খরচ করা যাবে। অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের পূর্ত, সেচ দফতরের মতো পাঁচটি দফতরের হাতে ১ কোটি টাকার আপাৎকালীন তহবিল রাখা থাকবে। এই খাতে এতদিন ১০ কোটি টাকা থাকত। বাকি ৪৫টি দফতরের খরচের উর্ধ্বসীমা ১০ লক্ষ টাকা বেধে দিয়েছে রাজ্য। প্রয়োজন পড়লে এর বেশি টাকা অর্থমন্ত্রকের অনুমোদন সাপেক্ষে খরচ করা যাবে।

 

 রাজ্য়ে করোনায় আক্রান্ত এবার এক নার্স, পরিবারকে কোয়ারেনটাইনে থাকার নির্দেশ স্বাস্থ্য দফতরের

করোনা আক্রান্তদের এমআর বাঙ্গুরে স্থানান্তর ঘিরে তুলকালাম, অভিযোগ নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে নার্সরা

পাঁচিল টপকালেই ভাইরাস এক্সপার্ট সেন্টার, তবুও মুখ ফিরিয়ে মেডিক্য়াল কলেজ