বর্ষবরণের রাতে বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষপর্যন্ত খুন হয়ে গেলেন এক যুবক।  এলাকারই কয়েকজন যুবক তাঁকে মাথায় ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে হাওড়ার বেলুড়ে। ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

মৃতের নাম দেবাশিষ হালদার। হাওড়ার লালাবাবু সায়র রোডে বাড়ি বছর সাঁইতিরিশের ওই যুবকের। মঙ্গলবার, বর্ষবরণের রাতে বেলুড়ের অম্বিকা জুটমিল এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে পিকনিক করতে গিয়েছিলেন দেবাশিষ। ওই এলাকায় দুটি দল ভাগ হয়ে আলাদাভাবে পিকনিক করছিলেন আরও বেশ কয়েকজন যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, রাতে ওই দুটি দলের মধ্যে বচসা বেধে যায়। দেবাশিষ অন্য একটি দলের সঙ্গে ছিলেন। বচসা থামাতে গিয়ে বিপদে পড়েন তিনি।  রাগের মাথায় দেবাশিষকে রাস্তায় ফেলে ১০-১৫ জন ছেলে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। সিমেন্টের চাঙড় দিয়ে আঘাত করা হয় মাথায়।  রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে আক্রান্ত যুবক।  স্থানীয় বাসিন্দারা যখন রক্তাক্ত অবস্থায় দেবাশিষকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালে দেবাশিষ হালদারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। 

আরও পড়ুন: বর্ষপূর্তির রাতে বেসামাল আবাসন, যাদবপুরে গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু

আরও পড়ুন: আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা বাড়বে কলকাতায়, পশ্চিমের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অবশ্য় দাবি, বচসা থামাতে গিয়ে প্রথমে আক্রান্ত হন দেবাশিষের মামা। তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হচ্ছিল। মামাকে বাঁচাতে গিয়েই খুন হয়েছেন ওই যুবক।  বুধবার সকালে ছয়জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  এলাকা এখনও যথেষ্ট থমথমে।  মৃত যুবক বিবাহিত, সন্তানও আছে বলে জানা দিয়েছে।