কখনও মসলা হিসেবে কখনও আবার শাক দুভাবেই ব্যবহার করা হয়। মেথির স্বাদ তিতকুটে ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস মেথি ভেজানো জল খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। এছাড়াও কৃমিনাশে, রক্তের চিনির মাত্রা কমাতে সাহায্য করে মেথি। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। গরমে ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, এই অসুখগুলো দূর করে মেথি। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে মেথি। 

আরও পড়ুন- ডায়াবেটিসের রক্ষা কবচ জাম ফলের বীজ, জেনে নিন ব্যবহার

গবেষণা করে দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাদের ডায়াবেটিসজনিত অসুখগুলো কম হয় এবং স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মেথি শ্রেষ্ঠ পথ্য। পথ্য ছাড়াও রান্নায় আলাদা মাত্রা এনে দেয় মেথি দানার ফোড়ন। অনেকেই বর্তমানে গরম মশলার পরিবর্তে রান্নায় মেথির গুঁড়ো ব্যবহার করেন। মেথিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার যা খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে। পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে মেথি। এছাড়া মেথি শাকে রয়েছে গ্যালাক্টোমানন নামক উপাদান যা শরীরে পলিস্যাকারাইড উৎপন্ন করে ফলে চর্বির বিভাজন ঠিক মত হতে পারে। 

আরও পড়ুন- শীতের রুক্ষতা দূরে সরিয়ে, মাত্র ৭ দিনে পান ঝলমলে চুল

এইজন্য অনেকেই মেথি ভেজানো জল সকালে খালি পেটে সেবন করেন। এছাড়া রুটি বা চাপাটির সঙ্গে মেথি শাকের কুঁচি মেখে রুটিও বানিয়ে নিতে পারেন। এই শাক কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। এই শাকে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় তা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। ইউরিন জাতীয় সমস্যা থাকলে এই শাক সেই সমস্যায়ও দারুন কাজ দেয়।