চল্লিশ বছরের মেট্রো রেলের ইতিহাসে এই প্রথম। কলকাতা মেট্রো এতদিন সরাসরি কোনও ব্র্যান্ডের সঙ্গে হাত মেলায়নি। এত বছর পর এই প্রথম এক্সক্লুসিভ মিডিয়াম ব্যবহারের মাধ্যমে মেট্রোর বিপুল ইউজার বেসের মধ্যে নিজেদের ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ পাবে। এমন সুযোগ এর আগে কোন ব্র্যান্ড পায়নি। বন্ধন ব্যাঙ্ক এবার কলকাতাবাসীর দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে আরও এক নতুন পথে যুক্ত হল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কলকাতা মেট্রোর যাত্রীদের জন্য ইস্যু করা স্মার্ট কার্ডে এবার থেকে বন্ধন ব্যাঙ্কের লোগো দেখা যাবে। 

আরও পড়ুন- শীতে কলকাতায় ঘোরার সেরা জায়গা, কমলালেবু খেতে খেতে বেড়িয়ে আসুন এই ঠিকানায়

ঘটনাচক্রে বন্ধন ব্যাঙ্ক স্বাধীনতার পর পূর্ব ভারতে প্রতিষ্ঠিত প্রথম ব্যাঙ্ক। কলকাতার দুটো প্রবাদ-প্রতিম প্রতিষ্ঠান একে অপরের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য হাত মেলাল এটা এই শহরের জন্য একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কলকাতা মেট্রো প্রথম স্মার্ট কার্ড চালু করে ২০১১ সালে। এখন প্রায় ৫ লক্ষ লোক রোজকার যাতায়াতের জন্য মেট্রো স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করেন। এই উপলক্ষে চন্দ্রশেখর ঘোষ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সি ই ও, বন্ধন ব্যাঙ্ক, বলেন, “আমরা কলকাতা মেট্রোর সঙ্গী হতে পেরে নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করছি। কলকাতায় মেট্রো রেল চালু হয়েছিল ১৯৮৪ সালে। সেই থেকে মেট্রো শহরের নিত্যযাত্রীদের মেরুদণ্ড। একইভাবে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে থাকা শাখাগুলোর মাধ্যমে বন্ধন ব্যাঙ্কও এখন তার সুখী গ্রাহকদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ২০১৫ সালে উদ্বোধন হওয়ার পর থেকে এই ব্যাঙ্ক নিজের আয়ত্তাধীন এলাকা বাড়াতে বাড়াতে একটা সত্যিকারের সর্বভারতীয় ব্যাঙ্ক হয়ে উঠেছে।" 

আরও পড়ুন- আগামী ৪৮ ঘণ্টা শীতের আমেজ বাংলায়, আরব সাগর-বঙ্গোপসাগরের জোড়া ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

কলকাতার প্রত্যেকটি নাগরিক এই মেট্রো নিয়ে গর্বিত, যা দেশের প্রথম মেট্রো এবং ‘সিটি অফ জয়’ এর প্রাণ। বন্ধন ব্যাঙ্কেরও এই মাটিতেই জন্ম এবং এখন সারা দেশেই আমাদের উপস্থিতি। আমি নিশ্চিত এই শহরের নাগরিকরা তাঁদের দুই প্রিয় ব্র্যান্ডের জুটি বাঁধার খবর পেয়ে খুশি হবেন। স্মার্ট কার্ডের এই ব্র্যান্ডিঙের ফলে অনেক বেশি মানুষ আমাদের উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন হবেন। আমরা খুশি যে কলকাতা মেট্রো তার সর্বপ্রথম পার্টনারশিপ ফরম্যাটে সঙ্গী হওয়ার জন্য আমাদের নির্বাচন করেছে।” মনোজ যোশী, জেনারেল ম্যানেজার, মেট্রো রেলওয়ে, বলেন, “মেট্রো রেলওয়ে, কলকাতার পক্ষ থেকে আমি বন্ধন ব্যাঙ্ককে তাদের সমস্ত প্রচেষ্টার জন্য শুভকামনা জানাই।”