নেতাজির বিমান দুর্ঘটনার পেছনে লুকিয়ে ছিল বড় রহস্য! সত্যিই কী মারা গিয়েছিলেন তিনি?

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যু নিয়ে সরকারি দাবি আজও বিতর্কিত। বলা হয়, ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট তাইহোকুতে বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় পাতায় লুকিয়ে আছে এমন বহু প্রশ্ন, যেগুলোর স্পষ্ট উত্তর আজও মেলেনি। 

প্রথম প্রশ্ন, সেই দুর্ঘটনার কোনও নির্ভরযোগ্য ছবি বা পূর্ণ রিপোর্ট কেন প্রকাশ্যে আসেনি? দ্বিতীয়ত, দুর্ঘটনার পর নেতাজির দেহ শনাক্ত করার মতো প্রামাণ্য নথিও নেই। শুধু কিছু সাক্ষ্যের ওপর ভর করেই সিদ্ধান্ত টানা হয়েছিল। এর পরেই সামনে আসে অন্য গল্প। উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদে এক সন্ন্যাসী, যাঁকে বলা হত ‘গুমনামি বাবা’। তাঁর জীবনযাপন, আচরণ, বিদেশি সংবাদপত্র পড়া, জার্মান ও জাপানি ভাষা জানার প্রমাণ, এমনকি নেতাজি সংক্রান্ত গোপন ফাইল—সব মিলিয়ে সন্দেহ আরও গভীর হয়। 

অনেকে মনে করেন, নেতাজি আন্তর্জাতিক রাজনীতির চাপে আড়ালে চলে গিয়েছিলেন। ব্রিটিশ ও মিত্রশক্তির নজর এড়িয়ে ভারতের মাটিতে ফিরেই তিনি সাধারণ সন্ন্যাসীর জীবন বেছে নেন। তাইহোকুর দুর্ঘটনা ছিল আসলে তাঁর অন্তর্ধানের পর্দা। আজও প্রশ্ন থেকেই যায়—নেতাজির বিমান দুর্ঘটনা কি সত্য, না কি ইতিহাস ঢাকতে তৈরি করা গল্প? বিমান দুর্ঘটনার আড়ালে লুকিয়ে আছে হয়তো স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে বড় রহস্য।