Type2 Diabetes Remedy: এখন ঘরে ঘরে ডায়াবেটিস রোগী। তবে সাধারণ ডায়াবেটিসের থেকে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে  কী করবেন? কীভাবে ভালো রাখবেন নিজের স্বাস্থ্য? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Type2 Diabetes Remedy: যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা এখন ঘরের খাবার ছেড়ে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি ফাস্ট ফুডে। রাত জেগে পার্টি বা নেট পাড়ায় ঘোরাঘুরি যেন একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে এখনকার ছেলে মেয়েদের কাছে। ফলে এভাবে যত নিয়মানুবর্তিতা আমরা ভুলতে বসছি ততই আমাদের অজান্তে শরীরে বাসা বাঁধছে নানা রোগব্যাধি। কোনও রোগের প্রতিকার সহজেই মেলে আবার কোনও রোগের প্রতি অবহেলা মানুষকে টেনে নিয়ে যায় মৃত্যুর দরজায়। আর এভাবেই অকালে ঝরে যায় অসংখ্য প্রাণ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অন্যান্য রোগব্যাধির পাশাপাশি বর্তমানে সারা বিশ্বের প্রায় ১ কোটি মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। মানুষের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণই হল এই ডায়াবেটিস। যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে হার্ট, অগ্ন্যাশয়, লিভার এবং কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দেয়। এবং যার শেষ পরিণতি মৃতু। মানব দেহের অন্যান্য অংশের পাশাপাশি কিডনিতেও এর কুপ্রভাব ব্যাপক ভাবে পড়ে। ফলে সময় থাকতে শরীরের যত্ন না নিলে এবং সঠিক চিকিৎসা না করালে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। আর এই ডায়াবেটিস দুই ধরণের হয়। যথা টাইপ ওয়ান এবং টাইপ টু।

টাইপ ওয়ানের থেকে টাইপ টু ডায়াবেটিস বেশি ক্ষতিকারক শরীরের পক্ষে। কোনও ব্যক্তি যদি টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন তাহলে তার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। এছাড়াও বিষাক্ত জিনিস ফিল্টার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে কিডনি। যারফলে ধীরে ধীরে অকেজো হতে শুরু করে কিডনি।

এই টাইপ টু ডায়াবেটিস থেকে কীভাবে নিজের শরীর ঠিক রাখবেন এবং কিডনিকে সুস্থ রাখবেন? এর জন্য মেনে চলুন এই নিয়মগুলো। 

১. ধূমপান ছাড়ুন : ধূমপান করবেন না। ধূমপানের কারণে শরীর ধীরে ধীরে ভিতর থেকে দুর্বল হয়ে যায়। ফলে ধূমপান এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি আপনার ডায়াবেটিসে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে এবং আপনাকে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, ইরেক্টাইল ডিসঅংশান এবং হাড়ের সঠিক বৃদ্ধি আটকে দিতে পারে।

২. ভালো খাবার খান : শরীরকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার, প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন রোজকার খাদ্যতালিকায়। প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনি জাতীয় জিনিস এড়িয়ে চলুন।

৩.ব্যায়াম করুন : শরীরকে ফিট রাখতে এবং যেকোনও রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যায়ামের অবদান অনস্বীকার্য। প্রতিদিন সকাল বিকাল শরীরচর্চা যেমন আপনাকে ফিট রাখবে তেমনই রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করবে।

৪.প্রচুর জল পান করুন : ডিহাইড্রেশনের কারণেও শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। জল রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বজায় রাখে এবং খাবার হজমে সাহায্য করে। ফলে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ জল পান করুন। সারা দিনে অন্তত পাঁচ লিটার জল পান করুন। তবে যেকোনও খাবার গ্রহণের আগে অথবা আধঘন্টা পরে জল পান করুন।

৫. সবশেষে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। যেকোনও রোগের চিকিৎসায় আগে আপনার পারিবারিক ডাক্তারের মতামত নিন তারপর বাকি কাজগুলি করুন। দেখবেন সুস্থ থাকবে শরীর ও স্বাস্থ্য।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।