Vitamin D: শীতের রোদ শরীরের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে। ভিটামিন ডি কীভাবে স্থূলতা, ডায়াবেটিস ও বিষণ্ণতা নিয়ন্ত্রণে রাখে? জানুন সঠিক সময় এবং এর উপকারিতা।

Vitamin D: শীতকালে নিয়মিত রোদে বসার উপকারিতা হলো শরীর ভিটামিন ডি (Vitamin D)-তে ভরপুর হয়ে ওঠে। যা হাড়কে ইস্পাতের মতো শক্ত করতে সাহায্য করে কারণ এটি ক্যালসিয়াম শোষণ বাড়ায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও শক্তিশালী করে। এই ভিটামিন হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখে, ক্লান্তি দূর করে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, তাই শীতের সকালে বা দুপুরে ১৫-৩০ মিনিট রোদ পোহানো খুবই উপকারী, বিশেষত সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে।

ভিটামিন ডি-এর উপকারিতা:

* হাড় ও দাঁত মজবুত করে: ভিটামিন ডি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস গ্রহণে সাহায্য করে, যা হাড় ও দাঁতের জন্য অপরিহার্য। * রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। * মানসিক স্বাস্থ্য: সেরোটোনিন হরমোন বাড়িয়ে মেজাজ ভালো রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। * ক্লান্তি দূর করে: শীতকালে রোদ পোহানো শরীরকে সতেজ রাখে এবং ক্লান্তি কমায়।

কখন রোদ পোহাবেন?

* চিকিৎসকদের মতে, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে হালকা রোদ পোহানো সবচেয়ে উপকারী, কারণ এই সময়ে সূর্যের UVB রশ্মি ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। * প্রতিদিন ১৫-৩০ মিনিট রোদ পোহানো যথেষ্ট, তবে অতিরিক্ত রোদ এড়িয়ে চলা উচিত।

ভিটামিন ডি-এর অভাবের লক্ষণ

* হাড়ে ব্যথা বা দুর্বলতা * ঘন ঘন অসুস্থ হওয়া * অতিরিক্ত ক্লান্তি * শরীরের জয়েন্টে ব্যথা

শীতকালে পর্যাপ্ত রোদ পোহানোর পাশাপাশি, ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।