ঘুম ভাঙ্গলেই শুরু হয়ে যায় অনর্গল হাঁচি অনেকেই ছোটবেলা থেকে ভুগছেন সর্দি-কাশির সমস্যায় এই সমস্যার জন্য প্রয়োজন সাইট্রাস জাতীয় ফল জোর করে হাঁচি চাপলে হতে পারে মারাত্মক সমস্যা

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যাদের ঘুম ভাঙ্গলেই শুরু হয়ে যায় অনর্গল হাঁচি। আবার অনেকেই আছেন যারা ছোটবেলা থেকে ভুগছেন সর্দি-কাশির সমস্যায়। শুধু সর্দি কাশি নয় তার পাশাপাশি রয়েছে নাকের ভেতর ও মাথার যন্ত্রণার মত সমস্যাও। তাই ঠান্ডা লাগার এই সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত সাইট্রাস জাতীয় ফল পাতে রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। লেবু, কমলা, জাম্বুরা ও আঙ্গুর ফল এমন হাঁচির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। প্রয়োজনে হারবাল চায়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে সুফল পাবেন। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- করোনা ভাইরাসের বাহক মানবদেহ, নিশ্চিত করল চিন

মার্কিন এক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গবেষনাপত্র থেকে জানা গিয়েছে, হাঁচির গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ মাইল বা প্রায় ১৬১ কিলোমিটার। অফিসে বা কোনও জরুরি মিটিং-এ হাঁচি শুরু হলে আমরা অনেকেই তা থামিয়ে দেই। এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। হাঁচি কখনোই চাপতে যাবেন না এর ফলে হতে পারে মারাত্মক সমস্যা। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁচি চাপলে তা মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করে শরীরের রক্ত সঞ্চালনের উপর, শ্বাসনালির উপর এবং হার্টের উপরও। মার্কিন চিকিত্সা বিজ্ঞানী মাইকেল বেনিঞ্জার এই বিষয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, মানব দেহের বহির্মুখী এই চাপকে জোর করে চাপিয়ে দিলে শরীরের ভিতরে তা মারাত্মক প্রভাব সৃষ্টি করে। তাঁর মতে, জোর করে হাঁচি চাপলে কানের পর্দা অবধি ফেটে যেতে পারে। এমনকী কোমরে ব্যথা বা মুখের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। 

আরও পড়ুন- একে দেখে অনেকেই বহুরূপী মানুষ ভাবেন, চিনে নিন এই দৈত্যাকার পাখিটিকে

জোর করে হাঁচি চাপলে শরীরের ভিতরে পাঁজর ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। পেশিতে টান লাগতে পারে। বেনিঞ্জার আরও জানিয়েছেন, জোর করে হাঁচি চাপলে ফুসফুসে মারাত্মক চাপ তৈরি হয়। এর ফলে হার্ট ও ফুসফুসের মধ্যে যে বায়ুর বিনিময় হয় সেই প্রক্রিয়াও বাধাপ্রাপ্ত হয়। শরীরে এমন পরিস্থিতি যদি মারাত্মক হলে মৃত্যু অবধি ঘটতে পারে। তাই হাঁচি চাপা মানে নিঃশব্দে নিজের বিপদ ডেকে আনা।