বাচ্চার শরীর নিয়ে আমরা সবসময় চিন্তায় থাকি। বিশেষত বাচ্চার বয়স যদি ছোট হয়, তাহলে তো কোনও কথাই নেই অনেকটা বেশি যত্নের মধ্যে তাকে রাখতে হয়। ছোট হোক বা বড় যে কোনও বয়সের বাচ্চাকে সুস্থ রাখতে গেলে সবার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়াতে হবে। অনেকেই আছেন যারা বাচ্চাদের স্বাস্থ্য নিয়ে একটু বেশিই সচেতন। তারা বেশির ভাগ সময়েই বাচ্চার খাওয়ার উপর বেশি নজর দেন। কিন্তু সারাদিনে বাচ্চাকে যতটা পরিমাণ জল খাওয়ানো উচিত, ততটা পরিমাণ জল খাওয়াচ্ছেন না।  আর তাতেই দেখা দেয় নানান সমস্যা।

আরও পড়ুন-পুজোয় এড়িয়ে চলুন রাস্তার খাবার, বদলে বেছে নিতে পারেন এই পদগুলো...

একটি বাচ্চার শরীরে ৭৫ শতাংশ ফ্লুইড থাকে। বাচ্চা যত বড় হতে থাকে , শরীরে জলীয় পর্দার্থের পরিমাণও তত কমতে থাকে। আর সেই ব্যালান্সটা ঠিক রাখার জন্যই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই জল।তবে অতিরিক্ত জলও বিপদ ডেকে আনতে পারে। একটি বাচ্চার শরীরে কতটা জল প্রয়োজন তা বয়স ও লিঙ্গ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। তার পাশাপাশি যে পরিবেশে বাস করছে তার সঙ্গে ফ্লুইডের চাহিদা দেখেও এটি ঠিক করা হয়। 

আরও পড়ুন-খালি পেটে চা পান করেন, অজান্তেই মারাত্মক ক্ষতি করছেন নিজের...

বাচ্চারা একেবারে বেশি জল খেতে পারে না। তাই একটু একটু করে বারে বারে জল খাওয়ান। কোথাও যাওয়ার আগে, খাওয়া শুরু করার আগে জল খাওয়ান। এছাড়া বাচ্চাদের নিয়ে বাইরে গেলে তার সঙ্গে জলের বোতল রাখুন। সরাসরি জল ছাড়া দুধ, ফলের রস, থেকেও ফ্লুইড ঢোকে বাচ্চার শরীরে। বাচ্চার শরীরে জলের অভাব দেখা দিলে খিটখিটে মেজাজ, মনঃসংযোগের অভাব, ত্বকের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

৪-৮ বছরের বাচ্চারা দিনে ১.১ লিটার থেকে ১.৩ লিটার পর্যন্ত জল খাবে।
৯-১৩ বছর বয়সী মেয়েদের দিনে ১.৩ লিটার থেকে ১.৫ লিটার পর্যন্ত জল খাওয়া প্রয়োজন।
৯-১৩ বছর বয়সী ছেলেদের দিনে অন্তত ১.৫ থেকে ১.৭ লিটার পর্যন্ত জল খাওয়া প্রয়োজন।