শীত প্রায় চলেই এসেছে। সকালের ঠান্ডা হাওয়া জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিরশিরানি অনুভব হচ্ছে। এই ঠান্ডা পরার সঙ্গে সঙ্গেই মিলছে গুড়ের আগমন বার্তা। খেজুর গাছে শুরু হয়ে গিয়েছে রসের হাড়ি বাঁধা। এই রসই রূপান্তরিত হবে পরিশুদ্ধ গুড়ে। মিষ্টি মুখ করার অনেক উপায় রয়েছে, একথা যেমন সত্য। তেমনি বাঙালির কাছে গুড়ের কোনও বিকল্প নেই।

আরও পড়ুন-ফেসবুক পে এর মাধ্যমেই লেনদেন করতে পারবেন আপনার প্রয়োজনীয় টাকা, জানুন কীভাবে...

শীতকাল মানেই গুড়ের আগমন। গুড় অনেক রকমের হয়। ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, আখের গুড়, খেজুরের গুড়, নলেন গুড়, তালপাটালি আরও বিভিন্ন রকমের গুড় পাওয়া যায়। বাঙালির গুড় ভীষণ প্রিয়। সে মিষ্টি হোক পায়েস গুড়ের ছোঁয়া হলেই হল।  চিনির থেকে গুড় স্বাস্থ্যের জন্য অনেকটা ভাল। শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে অনেকেই নিয়মিত গুড় খেয়ে থাকেন। এখন প্রায় সারাবছরই গুড় পাওয়া যায়। কিন্তু শীতকালে গুড়ের যেন একটা আলাদাই ব্যাপার রয়েছে।  কিন্তু গুড় কিনতে যাবার পরই এত গুড় দেখে আমরা কেমন যেন ভ্যাবাচাকা খেয়ে যায়। এটা নেব না ওটা, এই নিয়ে চলতে থাকে নানান প্রশ্ন। এখন গুড়ের মধ্যেও প্রচুর ভেজাল বেরিয়ে গেছে। তাই ভাল গুড় কেনার সময় কী দেখে কিনবেন, জেনে নিন তার সহজ উপায়।

আরও পড়ুন-শীতকালে রুক্ষ ত্বকের সমস্যা, ত্বককে করে তুলুন সতেজ ও উজ্জ্বল সহজেই...

গুড় কেনার সময় তা অবশ্যই চেখে দেখে নেবেন। যদি তাতে একটু নোনতা স্বাদ পান তাহলেই বুঝবেন তাতে কিছু মেশানো রয়েছে। এই ধরনের গুড় যত পুরোনো হবে তত তাতে নুনের মাত্রা বেশি হবে।

যদি গুড়ের স্বাদ একটু তেতো হয় তাহলে বুঝবেন সেই গুড় বেশি ফাটানো হয়েছে। আর তাতে অন্য শর্করা মেশানো হয়েছে।

গুড় কেনার সময় রং অবশ্যই দেখে কিনুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দর্শনেই গুণ বিচার করা যায়। শুদ্ধ ভাল গুড়ের গাঢ় বাদামি রং হয়ে থাকে। হলদেটে গুড় দেখলেই বুঝবেন তাতে রাসায়নিক কিছু মেশানো আছে।

গুড় কেনার সময় খেয়াল করবেন তার কিছু অংশ স্ফটিকের মতো কিনা। যদি গুড়ে স্ফটিকের মতো অংশ থাকে তাহলেই বুঝতে হবে মিষ্টি বাড়ানোর জন্য তাতে কিছু মেশানো হয়েছে।

গুড় কেনার সময় একটু টিপে দেখে নেবেন। গুড় যত শক্ত হবে ততই ভাল। শক্ত গুড়ে অন্যান্য সামগ্রী মেশানোর সম্ভাবনা অনেকটাই কম থাকে।