শুধু ক্লান্তি নয়। গরমে রাস্তা ঘাটেই অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এমনকী অতিরিক্ত লু লাগলে জীবনের ঝুঁকিও চলে আসে। তাই গরমে একটু শান্তিতে যাতায়াত করতে  ব্যাগে কয়েকটা জিনিস রাখলে ক্ষণিকের স্বস্তি পাবেন। 

গরম বলে তো আর বাড়িতে বসে থাকা যায় না। যতই গরম হোক, কাজের জন্য বাড়ি থেকে বেরোতেই হয়। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, গলদঘর্ম হয়ে বেরোতেই হয়। আর গরমে বাইরে বেরনো মানে শরীরের সব শক্তিকে বিসর্জন দিয়ে দেওয়া। কাজ থেকে বাড়ি ফিরে তাই আর কোনও শক্তিই থাকে না। ক্লান্তি বোধ চেপে ধরে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুধু ক্লান্তি নয়। গরমে রাস্তা ঘাটেই অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এমনকী অতিরিক্ত লু লাগলে জীবনের ঝুঁকিও চলে আসে। তাই গরমে একটু শান্তিতে যাতায়াত করতে ব্যাগে কয়েকটা জিনিস রাখলে ক্ষণিকের স্বস্তি পাবেন। জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী-


১) গরমে ঘেমে শরীরে ক্লান্তি চলে আসে। অস্বস্তি হয়। মুখও তেলতেলে হয়ে যায়। তাই গরমে তরতাজা থাকতে ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করা আবশ্যিক। খুব তাপ লাগলে মুখ, গলা ও ঘাড়ে ওয়েট টিশ্যু মুছে নিন। তবে যাঁদের সেনসিটিভ স্কিন তাঁরা বেবি ওয়াইপ ব্যবহার করুন। তাহলে স্কিন জ্বলুনি বা অ্যালার্জি হবে না।
২) গ্রীষ্মে প্রত্যেকেই ঘামে। তাই রাস্তা ঘাটে টাকা পয়সার লেনদেনের সময়ে জীবাণুও ছড়িয়ে পড়ে। বাসে ট্রেনে যারা যাতায়াত করেন তাদের হাতে অন্যের ঘাম লেগে যায়। সেইজন্য অবশ্যই ব্যাগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখুন। প্রয়োজনে হাতে লাগিয়ে নিন। কিছু খাওয়ার আগে অবশ্যই হাতে স্যানিটাইজার লাগান।
৩) অবশ্যই ব্যাগে বডি-স্প্রে রাখুন। মাঝে মধ্যেই শরীরে স্প্রে করে নিন। ঘামের দুর্গন্ধ দূর হবে। এছাড়া নিজেকে ফ্রেশ লাগবে এবং গরমও কম লাগবে। সতেজ লাগলে কাজ করার শক্তিও পাবেন। 
৪) গরমে লু লাগলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হতে পারে। এমনকী মৃত্যুভয়ও থাকে। তাই এই সময়ে ব্যাগে কাঁচা পেঁয়াজ রাখুন। প্রয়োজনে ব্যাগ থেকে বের করে চিবিয়ে খান। এতে স্বস্তি পাবেন।
৫) রোদ থেকে বাঁচতে অবশ্যই সানগ্লাস সঙ্গে রাখুন। রোদে অনেক সময়ে চোখ ধাঁধিয়ে যায় বা চোখ জ্বালা করে। তাই সানগ্লাস আবশ্যিক। তবে শুধু চোখ নয়, মাথা বাঁচান। ছাতা রাখুন ব্যাগে। স্কার্ফ ব্যবহার করুন পারলে।
৬) ব্যাগে অবশ্যই জলের বোতল রাখুন। গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা দরকার। পারলে জলের মধ্যে নুন-চিনি বা গ্লুকোজ মেশানো থাকে। অস্বস্তি কাটবে। 
৭) আপেল সঙ্গে রাখুন। আপেল শরীরের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য বজায় রাখে। তাই দিনের যে কোনও সময়ে আপেল খান। চেষ্টা করুন গোটা আপেল চিবিয়ে খাওয়ার।