Juice: সারাদিন না খেয়ে থেকে থাকার সময়ে জলও না খাওয়ায় ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হতে পারে। সেই সমস্যা যাতে শরীরের সার্বিক সুস্থতায় প্রভাব না ফেলে তার জন্য উপোস ভাঙার পরে শুধু জল নয় কিছু বিশেষ ধরনের শরবত খাওয়া যেতে পারে।
Health Drink: চলছে রমজান মাস। সারাদিন না খেয়ে থাকার সময়ে জলও না খাওয়ায় ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হতে পারে। সেই সমস্যা যাতে শরীরের সার্বিক সুস্থতায় প্রভাব না ফেলে তার জন্য উপোস ভাঙার পরে শুধু জল নয় কিছু বিশেষ ধরনের শরবত খাওয়া যেতে পারে। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর সন্ধ্যায় প্রথম খাবার হিসেবে পেট ঠান্ডা ও শরীর সতেজ করতে ভাজাপোড়া এড়িয়ে পুষ্টিকর শরবত খাওয়া উচিত। এতে সুগার কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না এবং ক্লান্তি দূর হয়। লেবুর জল, ডাবের জল, পুদিনার শরবত, তোকমা-লেবু ও দইয়ের লস্যি হল পাঁচটি দ্রুত ও চটজলদি পানীয়।
শরীরের ক্লান্তি ও এনার্জি ফেরাতে চটজলদি শরবত:
১. লেবু-মধু জল (Lemon Honey Water): এটি সবচেয়ে সহজে তৈরি এবং পেটের জন্য আরামদায়ক। এক গ্লাস ইষদুষ্ণ বা ঠান্ডা জলে অর্ধেক লেবুর রস ও এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি ডিটক্সিফাই করে।
২. ডাবের জল (Coconut Water): এটি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট যা দীর্ঘ উপবাসের পর শরীরের খনিজ ভারসাম্য ফেরাতে সবচেয়ে কার্যকর।
৩. পুদিনা ও জিরার শরবত (Mint & Cumin Water): শরীর ঠান্ডা করতে এবং হজমের সমস্যা (এসিডিটি) কমাতে পুদিনা পাতা ও ভাজা জিরার গুঁড়ো দিয়ে এই শরবত তৈরি করুন।
৪. তোকমা ও লেবুর শরবত (Basil Seeds & Lemonade): তোকমা দানা ভিজিয়ে রেখে লেবুর জলের সাথে মিশিয়ে পান করুন। এটি পেট ঠান্ডা রাখে এবং পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতি দেয়।
৫. দইয়ের লস্যি বা ঘোল (Buttermilk/Lassi): টক দই, জল, সামান্য বিট নুন এবং পুদিনা পাতা মিশিয়ে তৈরি করুন। এটি প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে এবং পাকস্থলীকে শান্ত করে।
সতর্কতা ও টিপস:
- খেজুর দিয়ে শুরু: যে কোনও শরবত বা খাবারের আগে একটি বা দু'টি খেজুর খাওয়া ভালো।
- ভাজা-পোড়া বর্জন: দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর ভাজাপোড়া খেলে হজমের গোলমাল, মাথা ব্যথা ও অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।
* পরিমিত আহার: হালকা খাবার যেমন- ভেজানো ছোলা, ফল, বা মুড়ি খাওয়া যেতে পারে।
সন্ধ্যায় এই ধরনের প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর পানীয় পান করলে আপনার শরীর সুস্থ ও সতেজ থাকবে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


