Pets for children: পোষ্য আনার প্ল্যান করছেন? তাহলে এখনই দেখে নিন আপনার বাচ্চার জন্য পারফেক্ট কী। সব বয়সে একই পোষ্য শিশুদের জন্য উপযুক্ত নয়। তাই বয়স অনুযায়ী পোষ্য বেছে নেওয়া উচিত।

Pets: শিশুদের জন্য পোষ্য বাছা এক দায়িত্বপূর্ণ কাজ। পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের জন্য গিনিপিগ বা ছোট পাখি ভালো আর বড় বাচ্চার জন্য কুকুর বা বিড়াল উপযুক্ত। গিনিপিগ নিয়মিত যত্ন শেখায় এবং শান্ত প্রকৃতির হয়, যা শিশুদের জন্য আদর্শ। পোষ্য বাছার আগে বাচ্চার বয়স, বাড়ির জায়গা এবং অ্যালার্জির বিষয়ে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বাচ্চার জন্য পারফেক্ট পোষ্য বাছার টিপস:

বয়স অনুযায়ী: পাঁচ বছরের বেশি বয়সি বাচ্চাদের জন্য কুকুর বা বিড়াল উপযুক্ত। কারণ, তারা নিয়মকানুন ভালো বোঝে। ছোট বাচ্চাদের জন্য গিনিপিগ ভালো। যদি আপনার বাচ্চার বয়স হয় তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে, তাহলে তার জন্য আদর্শ অ্যাকোয়ারিয়াম। মাছের গতিবিধি দেখে জীবন সম্পর্কে ছোট ছোট ধারণা তৈরি হয় খুদেদের। ওদের মাছেদের খেতে দেওয়ার দায়িত্ব দিন। তাহলে বুঝতে শিখবে যে, সমাজের প্রত্যেকটা জীব একে অপরের উপর নির্ভরশীল। বাচ্চার বয়স যদি ৯ থেকে ১১ বছরের মধ্যে হয়, তাহলে চোখ বন্ধ করে বাড়িতে নিয়ে আসুন পাখি। এই বয়সের বাচ্চারা ধীরে ধীরে সবটা বুঝতে শেখে। নতুন নতুন বিষয় জানতে ভালোবাসে। কী দিলে ওরা ভালো খায়, কেমন তাপমাত্রায় ওরা ভালো থাকে, এগুলো বাচ্চাকে বুঝতে দিন। সন্তানের বয়স যদি হয় ১২ থেকে ১৪ বছরের মধ্য, তাহলে নিয়ে আসুন বিড়াল। বয়ঃসন্ধির সময় বাচ্চারা নানারকম মানসিক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে যায়। এই সময় বিড়ালের সহচর্য ম্যাজিকের মতো কাজ করতে পারে। ১৫ বছরের উর্ধ্বে বয়স হলে, তবেই আপনার সন্তান কুকুরের সহচর্য পাওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠে। ওদের প্রতি অনেক বেশি দায়িত্ববান হতে হয়। নিয়ম করে হাঁটতে নিয়ে যাওয়া, খাওয়ানো, শরীর খারাপ হলে তাতে নজরদারি, আরও কত কী।

দায়িত্ববোধ: কুকুর বা বিড়াল বাচ্চাদের দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসা শেখায়। স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এর বিষয় পোষ্য আনার আগে তাদের নিয়মিত টিকা ও ডিওয়ার্মিং (কৃমি নাশক) করান।

অ্যালার্জি পরীক্ষা: বাচ্চার কোনও প্রাণীর লোমে অ্যালার্জি আছে কি না তা আগে নিশ্চিত হোন। এমন পোষ্য বাছুন যার যত্ন নেওয়ার সময় আপনার আছে।

জরুরি সতর্কতা: বাচ্চা ও পোষ্যকে কখনও একা ছাড়বেন না । পোষ্যকে বিরক্ত না করার জন্য বাচ্চাকে শিক্ষা দিন। পোষ্যের খাবারের জায়গা ও খেলনা বাচ্চার থেকে আলাদা রাখুন । সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কোনও ট্রাস্টেড ব্রিডার বা শেল্টার থেকে পোষ্য আনুন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।