পিরিয়ডের সময় চুল ধুতে নেই! আসল সত্যিটা কী? জেনে নিন
পিরিয়ডের সময় চুল ধোয়া নিয়ে মা-দিদার বারণ! সত্যিটা কী?

ছোটবেলা থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত আমরা পিরিয়ডের সময় এটা কোরো না, ওটা কোরো না... এমন অনেক কথা শুনি যা আমাদের মনে গেঁথে যায়। বড় হয়েও আমরা তা মেনে চলি, এর পিছনে কোনো বিজ্ঞান আছে নাকি এটি শুধুই একটি মিথ, তা না ভেবেই। চুল না ধোওয়াও এমনই এক মিথ। আসুন, এই ধারণার পেছনের সত্যিটা এবং ডাক্তারি তথ্যগুলো জেনে নেওয়া যাক।
চুল ধুলে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না
বলা হয় যে পিরিয়ডের চতুর্থ বা পঞ্চম দিনের আগে চুল ধোয়া উচিত নয়, কিন্তু বিজ্ঞান সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলে। চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুসারে, পিরিয়ডের প্রথম দিন থেকেই চুল ধোয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ। এতে স্বাস্থ্যের ওপর কোনও প্রভাব পড়ে না এবং ব্লিডিং বা ফার্টিলিটি সংক্রান্ত কোনও সমস্যাও হয় না। বরং এই সময়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা (হাইজিন) বজায় রাখা আরও বেশি জরুরি।
মিথ বনাম বাস্তবতা
মিথ ১: পিরিয়ডের সময় চুল ধুলে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়।
বাস্তবতা: রক্তপাত জরায়ুর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রক্রিয়া, এর সঙ্গে চুল ধোয়ার কোনও সম্পর্ক নেই।
মিথ ২: পিরিয়ডের সময় চুল ধুলে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।
বাস্তবতা: এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। চুল ধোয়ার সঙ্গে ভবিষ্যতে গর্ভধারণের কোনও সম্পর্ক নেই। পিরিয়ডের সময় চুল ধুলে একেবারেই বন্ধ্যাত্ব হয় না।
মিথ ৩: গরম জলে স্নান করলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়।
বাস্তবতা: গরম জলে স্নান করলে পেশী শিথিল হয় এবং পিরিয়ডের ব্যথায় আরাম পাওয়া যায়।
পিরিয়ডে স্নান ও চুল ধোয়ার উপকারিতা
পিরিয়ডে স্নান করলে শরীর পরিষ্কার থাকে, সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। গরম জলে স্নান করলে পেটের ব্যথা কমে ও রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়।
