Acidity Prevention: পুজো মানেই ফুচকা থেকে বিরিয়ানি, রোল থেকে মোগলাই - আর তারপরই বুকে জ্বালা, টক ঢেকুর। উৎসবের আনন্দ যাতে অ্যাসিডিটির কারণে মাটি না হয়, তার জন্য রইল ৩টি সহজ ও কার্যকরী উপায়।
Acidity Control: পুজোর ৪টে দিন ডায়েটের বারোটা বাজা বাঁধা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তেলেভাজা, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত ঝাল-মশলাদার খাবার। আর তার ফল - পেট ভার, বুকে জ্বালা, অ্যাসিডিটি। প্যান্ডেল হপিংয়ের মাঝে যদি অ্যাসিডিটি হয়, তাহলে পুরো আনন্দটাই মাটি। তাই আগে থেকেই সতর্ক হন।
পুজোয় অ্যাসিডিটি থেকে বাঁচতে ৩ সহজ উপায়:
১. খালি পেটে থাকবেন না, জল খান বেশি করে: পুজোয় ঘুরতে বেরিয়ে আমরা অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকি, তারপর একসঙ্গে অনেকটা ভাজাভুজি খেয়ে ফেলি। এতেই অ্যাসিডিটি বাড়ে। চেষ্টা করুন ৩-৪ ঘণ্টা অন্তর অল্প কিছু খেতে। সঙ্গে প্রচুর জল খান। দিনে ৩-৪ লিটার জল মাস্ট। জল অ্যাসিডকে ধুয়ে ফেলতে সাহায্য করে। বাইরের কোল্ড ড্রিংকস বা সোডার বদলে ডাবের জল বা সাধারণ জল খান।
২. খাওয়ার সঠিক নিয়ম মানুন: রাত ১১টার পর ভারী খাবার খাবেন না। ফুচকা, চাউমিন, এগ রোল খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না। অন্তত ১ ঘণ্টা হাঁটুন। খাওয়ার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না, ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান। বেশি ঝাল, বেশি তেলযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রতিবার খাওয়ার পর এক টুকরো শসা বা একটু দই খেতে পারেন, এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিডের কাজ করে।
৩. হাতের কাছে রাখুন ঘরোয়া টোটকা: পুজোর ব্যাগে ছোট কিছু জিনিস রাখুন। - ঠান্ডা দুধ: অ্যাসিডিটি হলে ঠান্ডা দুধ খুব দ্রুত আরাম দেয়। - জোয়ান ও আদা: এক চিমটে জোয়ান বা আদা কুচি চিবিয়ে খেলে গ্যাস কমে। - তুলসী পাতা: ২-৩টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খান, অ্যাসিড কমবে।
যদি অ্যাসিডিটি খুব বেশি হয়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টাসিড খেতে পারেন, কিন্তু ঘন ঘন ওষুধের ওপর ভরসা করবেন না।
এই ৩টি সহজ উপায় মেনে চললেই পুজোর খাওয়া-দাওয়া আর ঘোরাঘুরি দুটোই হবে জমজমাট, অ্যাসিডিটি ছাড়া।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


