আপেল এবং আদা—দুটিই স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এই দুটি উপাদান যখন একসঙ্গে খাওয়া হয়, তখন তাদের গুণাগুণ বহুগুণ বেড়ে যায়।

প্রতিদিন আপেলের সাথে এক টুকরো আদা খান, স্বাদ বদল করবে, হজম শক্তি উন্নত করবে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, বমি ভাব দূর করে, কোলেস্ট্রল নিয়ন্ত্রণ করে, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

শীতকালে আপেলের সঙ্গে আদা মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি বাড়ে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয় এবং গ্যাস-অম্বলের মতো পেটের সমস্যা কমে, কারণ আপেলের ফাইবার ও আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান একসঙ্গে কাজ করে এবং আদার জিঞ্জেরল হজমকারী এনজাইম বাড়ায়, যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও বমি বমি ভাবও কমায়।

এর উপকারিতার বিস্তারিত জানুন:

হজমশক্তির উন্নতি: আদা হজম রস নিঃসরণে সাহায্য করে এবং আপেলের ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, ফলে গ্যাস, অম্বল, পেট ফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: আপেল ও আদা উভয়েই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। আদার অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ এবং আপেলের ভিটামিন C রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

বমি ভাব ও বমি হ্রাস: আদার জিঞ্জেরল বমি বমি ভাব কমাতে দারুণ কার্যকর, যা সকালের অসুস্থতা বা অন্যান্য কারণে হওয়া বমি ভাব দূর করে।

 প্রদাহ হ্রাস: আদার প্রদাহরোধী গুণ শরীরকে সুস্থ রাখে এবং গাঁটের ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত আদা খেলে খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা: আপেল ও আদা মেটাবলিজম উন্নত করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রেখে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কীভাবে খাবেন

আপেলের টুকরোর সঙ্গে কাঁচা আদার ছোট এক টুকরো চিবিয়ে খেতে পারেন। 

আপেলের জুসের সঙ্গে অল্প আদা ব্লেন্ড করে পান করতে পারেন।