কিডনি রোগীরা কি কফি খেতে পারেন? জানুন স্বাস্থ্য পরামর্শ

কফি বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে প্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত পানীয়গুলির মধ্যে একটি। বেশিরভাগ মানুষই সকালে কফি বা চা পান করে দিন শুরু করেন। এটি কেবল শক্তিই জোগায় না, লিভারকে টক্সিন থেকে মুক্ত করা, হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করা এবং মেটাবলিজম বাড়ানোর মতো আরও অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও প্রদান করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কফি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ায় না, তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এবং যাদের কিডনিতে পাথর আছে, তাদের রক্তচাপকে প্রভাবিত করতে পারে। গবেষণা থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গেছে যে কফি কিডনির ক্ষতি করে না বা কোনো ধরনের ক্রনিক কিডনি রোগের কারণ হয় না।

কফিতে থাকা ক্যাফেইন শুধু শক্তির মাত্রা এবং মেটাবলিজমই উন্নত করে না, এটি চর্বি কমাতেও সাহায্য করে। এছাড়াও, কফিতে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল থাকে, যা এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি ক্যান্সার এবং হৃদরোগের মতো স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমায়, তাই কফি কিডনির জন্যও ভালো হতে পারে। তবে, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ বা পাথর থাকলে পরিমিত পরিমাণে কফি পান করা উচিত।

গবেষণায় বলা হয়েছে যে কফি পান এবং পুরুষদের মধ্যে কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ার মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। তবে, অতিরিক্ত ওজনের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে, দিনে দুই কাপের বেশি ক্যাফেইনযুক্ত কফি পান করলে কিডনির কার্যকারিতা কমে যেতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্রনিক কিডনি রোগ থাকলে কলা, মিষ্টি আলু, পালং শাক, টমেটো, অ্যাভোকাডো এবং কমলার মতো উচ্চ পটাশিয়ামযুক্ত খাবার বেশি পরিমাণে খেলে তা কিডনিকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে, অল্প পরিমাণে কফি পান করা নিরাপদ।