home maker tips: চাল,ডাল অথবা আটা কিছুদিন পুরনো হয়ে গেলে তার মধ্যে কালো কালো রকমের পোকা দেখা দেয়। এই পোকা তাড়ানোর ঘরোয়া কয়েকটি কৌশল জেনে নিন

চাল, ডাল, ও আটা দীর্ঘদিন ভালো রাখতে এবং পোকার উপদ্রব কমাতে হেঁশেলের ৫টি ঘরোয়া উপাদান অত্যন্ত কার্যকর। শুকনো নিমপাতা, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, গোলমরিচ এবং কর্পূর বা ন্যাপথলিন বল ব্যবহার করে পোকার আতঙ্ক দূর করা সম্ভব। এই প্রাকৃতিক উপায়গুলো আর্দ্রতা রোধ করে এবং চাল-ডালের আয়ু বাড়ায়।

প্রতিদিন বাজারে গিয়ে চাল ডাল অথবা আটা কেনা সম্ভব হয়ে ওঠে না তাই সপ্তাহের শেষে অথবা মাসের প্রথমে অনেকেই মজুদ করে রাখে নিত্যদিনের খাবার। তবে অনেক সময় দেখা যায় চাল, ডাল অথবা আটার মধ্যে পোকা ধরে। আর এই পোকা থেকে রেহাই পাওয়া খুব কষ্টকর হয়ে ওঠে। তাই মেনে চলুন কয়েকটি ঘরোয়া উপায়।

চাল-ডাল-আটার মেয়াদ বাড়ানোর ৫ টি ঘরোয়া উপায়:

১. নিমপাতা: চাল বা ডালের কৌটোর উপরে ও মাঝে কয়েকটি শুকনো নিমপাতা দিয়ে রাখলে পোকা ধারেকাছে ঘেঁষে না। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ শস্যকে রক্ষা করে।

২. তেজপাতা: শুকনো তেজপাতার তীব্র গন্ধে পোকা পালিয়ে যায়। কৌটোয় তেজপাতা দিয়ে রাখলে পোকা ধরার সম্ভাবনা কম থাকে ।

৩. শুকনো লঙ্কা: আটা, ময়দা বা ডালের পাত্রে ৩-৪টি শুকনো লাল লঙ্কা ফেলে রাখুন। এটি আর্দ্রতা দূর করতে ও পোকা মারতে সাহায্য করে ।

৪. গোটা গোলমরিচ: ডালের বয়ামে ১০-১৫ টি গোটা গোলমরিচ ছড়িয়ে দিলে পোকা বা ফাঙ্গাস হয় না।

৫. কর্পূর (Camphor): আটার ড্রামে বা চালের কৌটোয় ছোট কাপড়ে মুড়িয়ে দু-তিনটি কর্পূরের বড়ি রেখে দিন। এর গন্ধে পোকা আসে না, তবে তা ব্যবহারের আগে চাল-ডাল ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া উচিত।

সংরক্ষণের টিপস:

* ব্যবহারের পর কৌটোর মুখ সবসময় শক্ত করে আটকে রাখুন।

* চাল-ডাল রোদে শুকিয়ে ঠান্ডা করে সংরক্ষণ করলে পোকা কম হয়।

* প্লাস্টিকের বদলে কাঁচ বা স্টিলের কৌটো ব্যবহার করা শ্রেয়।

এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলো প্রয়োগ করলে চাল, ডাল, আটা বা সুজি দীর্ঘদিন পোকার হাত থেকে সুরক্ষিত থাকবে।