খুব গরমে পেট ঠান্ডা রাখতে কাঁচা আমের টক ডাল তো অনেকেই খান কিন্তু কাঁচা আম দিয়ে মাছের ঝোল রান্না করুন এতে পেট ঠান্ডা থাকবে। আর খেতেও তেমনই মুখরোচক।
গরমে কাঁচা আম দিয়ে মাছের টক-ঝাল ঝোল এক অপূর্ব কমফর্ট ফুড, যা শরীর ঠান্ডা রাখে ও হজমে সাহায্য করে। রুই, কাতলা বা শোল মাছের সাথে সরষে বা সামান্য আদা-জিরে বাটা দিয়ে এই পাতলা ঝোল তৈরি করা যায়। কাসুন্দি বা কালোজিরে ফোরন দিয়ে আম ও মাছের মিশ্রণে তৈরি এই পদটি দুপুরে ভাতের সাথে সেরা।
এখানে বিস্তারিত প্রণালী দেওয়া হলো:
উপকরণ:
* মাছ: ৫০০ গ্রাম (রুই, কাতলা বা শোল মাছ ভালো হয়) * কাঁচা আম: ১টি বড় (টুকরো করে কাটা) * আলু: ১টি (লম্বা করে কাটা) * ফোরন: কালোজিরে ১ চা চামচ, শুকনো লঙ্কা ১টি * বাটা মসলা: আদা ১ চা চামচ, জিরা ১ চা চামচ, ধনে ১ চা চামচ * গুঁড়ো মসলা: হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো চা চামচ * কাঁচা লঙ্কা: ৩-৪টি (চেরা) * তেল: সরষের তেল (পরিমাণমতো) * লবণ: স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রণালী (ধাপে ধাপে):
১. মাছ ভাজা: মাছ ধুয়ে তাতে লবণ ও হলুদ মাখিয়ে নিন। কড়াইতে সরষের তেল গরম করে মাছ হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে রাখুন।
২. ফোরন দেওয়া: ওই তেলেই কালোজিরে ও শুকনো লঙ্কা ফোরন দিন। সুন্দর গন্ধ বের হলে আলুগুলো দিয়ে হালকা ভাজুন।
৩. মসলা কষানো: আদা, জিরে ও ধনে বাটা দিয়ে দিন। এরপর হলুদ গুঁড়ো ও লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে সামান্য জল দিয়ে মসলা কষান যতক্ষণ না তেল আলাদা হচ্ছে।
৪. আম ও জল দেওয়া: কষানো মসলায় কাঁচা আমের টুকরোগুলো দিয়ে ১ মিনিট নাড়াচাড়া করুন। এবার পরিমাণমতো গরম জল দিন, যা মাছের ঝোলের ঘনত্ব তৈরি করবে।
৫. মাছ দেওয়া: ঝোল ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছ ও চেরা কাঁচা লঙ্কা দিয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ১০-১২ মিনিট কম আঁচে রান্না করুন যাতে আম ও আলু সেদ্ধ হয়ে যায় ।
৬. নামানো: ঝোল ঘন হয়ে এলে এবং আম ও আলু সেদ্ধ হলে নামিয়ে নিন।
টিপস :
* টক বেশি পছন্দ করলে আমের টুকরো বাড়াতে পারেন। * শোল মাছ দিয়ে করলে একদম পাতলা ঝোল ভালো লাগে। * আম দেওয়ার পর বেশিক্ষণ ফোটালে আম গলে ঝোল খুব টক হয়ে যেতে পারে।
এই রেসিপিটি শরীরকে চাঙ্গা রাখে এবং দুপুরের খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয়।


