শীতেও দেবে ঘাম! ভিতর থেকে শরীর এমন গরম থাকবে যে বরফ পড়লেও লেপ দিতে হবে না গায়ে! জেনে নিন ম্যাজিকাল হ্যাক
শীত এলেই অনেকের শরীর ঠান্ডায় জমে যায়—হাত-পা বরফের মতো ঠান্ডা, গা ম্যাজম্যাজ, অলসতা আর সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। আসলে শীতে শরীর গরম রাখা শুধু আরামের জন্য নয়, সুস্থ থাকার জন্যও ভীষণ জরুরি। খুব সহজ কিছু অভ্যাস মেনে চললেই শীতকে বশে রাখা যায়। আসুন জেনে নেওয়া যাক কিছু ম্যাজিকাল উপায়-
শীতে মোটা জামা একটাই পরার চেয়ে পাতলা জামা লেয়ার করে পরা বেশি কার্যকর। ভিতরে সুতির বা উলের পোশাক, তার উপর সোয়েটার বা জ্যাকেট—এভাবে বাতাস ঢুকতে পারে না এবং শরীরের তাপ ধরে রাখা যায়।
শীতে শরীর ভিতর থেকে গরম রাখা সবচেয়ে জরুরি। আদা চা, তুলসী চা, দারুচিনি চা, স্যুপ, ডাল, খিচুড়ি এগুলো শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
শীতে অলসতা বেড়ে যায়, কিন্তু প্রতিদিন ১০–১৫ মিনিট হালকা ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম করলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। ফলে হাত-পা ঠান্ডা হওয়ার সমস্যা কমে যায় এবং শরীর গরম থাকে।
মাথা, হাত ও পা ঢেকে রাখুন। শরীরের তাপ সবচেয়ে বেশি বের হয় মাথা, হাত আর পা দিয়ে। তাই শীতে টুপি, মোজা ও গ্লাভস ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সকালে ও রাতে।
শীতে খুব ঠান্ডা জল দিয়ে স্নান করলে শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়। উষ্ণ গরম জল ব্যবহার করুন এবং স্নানের পর সঙ্গে সঙ্গে শুকনো গরম কাপড় পরুন।
ঘুম কম হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং ঠান্ডা বেশি লাগে। প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম শরীরকে ভিতর থেকে উষ্ণ ও শক্তিশালী রাখে।
গোলমরিচ, আদা, রসুন, জিরে—এই ধরনের মশলা শরীরে তাপ উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত নয়, পরিমিত পরিমাণে।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি—মানসিক চাপ শরীরকে আরও ঠান্ডা অনুভব করায়। নিজেকে হাসিখুশি রাখুন, গান শুনুন, প্রিয় মানুষদের সঙ্গে সময় কাটান।
উপসংহার
শীত মানেই কষ্ট নয়। একটু সচেতনতা আর কিছু সহজ অভ্যাসই যথেষ্ট শরীরকে গরম ও সুস্থ রাখতে। বাইরে যতই ঠান্ডা থাকুক, ভিতর থেকে উষ্ণ থাকলেই শীত আপনাকে হারাতে পারবে না।


