রান্না করতে গিয়ে গ্রেভি পাতলা হয়ে গেলে চিন্তার কিছু নেই। কর্নফ্লাওয়ার, কাজু বাটা, সেদ্ধ আলু বা ফ্রেশ ক্রিমের মতো সাধারণ জিনিস ব্যবহার করে সহজেই গ্রেভি ঘন করা যায়। এই টিপসগুলো রান্নার স্বাদ অটুট রেখে গ্রেভিকে রেস্তোরাঁর মতো করে তোলে।
গ্রেভি পাতলা হয়ে গেলে কী করবেন?
রান্না করতে গিয়ে অনেক সময়েই ঝোল, ডাল বা গ্রেভি যতটা ঘন হওয়ার কথা, তার চেয়ে বেশি পাতলা হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে কী করবেন, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় পড়েন। কিন্তু কয়েকটি সহজ কিচেন ট্রিকস জানা থাকলে রান্নার স্বাদ একটুও নষ্ট না করে সহজেই গ্রেভি ঘন করে নেওয়া যায়। বাড়ির সাধারণ জিনিসপত্র ব্যবহার করেই রেস্তোরাঁর মতো গ্রেভি তৈরি করতে পারবেন। এখানে গ্রেভি ঘন করার কয়েকটি দারুণ উপায় দেওয়া হল।
কর্নফ্লাওয়ার ব্যবহার করুন
বেসন বা কর্নফ্লাওয়ার মেশানোটা সবচেয়ে সহজ এবং ঝটপট কাজ করার মতো একটি উপায়। এর জন্য একটা ছোট বাটিতে দুই চামচ বেসন বা কর্নফ্লাওয়ার নিন। তাতে অল্প জল দিয়ে ভালো করে গুলে নিন যাতে কোনও ডেলা না থাকে। এবার এই গোলাটা ফুটন্ত গ্রেভিতে অল্প অল্প করে ঢালুন আর নাড়তে থাকুন। দেখবেন, কয়েক মিনিটের মধ্যেই গ্রেভি ঘন হয়ে যাবে।
কাজু বাটা
ভেঙে যাওয়া কাজু কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে বেটে নিন। এই পেস্ট গ্রেভিতে মেশালে একটা ক্রিমি ভাব আসে আর গ্রেভিও ঘন হয়। স্বাদও দারুণ হয়। এছাড়া আপনি পোস্ত বাটাও ব্যবহার করতে পারেন। এতেও ঝোল ঘন হয়।
ফ্রেশ ক্রিম বা দুধের সর
রেস্তোরাঁর মতো গ্রেভি বানাতে চাইলে রান্নার শেষে ফ্রেশ ক্রিম বা দুধের সর মেশাতে পারেন। এতে স্বাদ খুব ভালো হয় আর বাড়ির সবাই এটা পছন্দও করবে। তবে মনে রাখবেন, আপনি কী রান্না করছেন তার ওপর এটা নির্ভর করে। কারণ সব রান্নার সঙ্গে কিন্তু ক্রিম বা সর ভালো লাগে না।
সেদ্ধ আলু
একটা সেদ্ধ আলুকে ভালো করে চটকে বা ম্যাশ করে গ্রেভিতে মিশিয়ে দিন। এতে ঝোল ঘন তো হবেই, স্বাদও বেড়ে যাবে। এছাড়া আপনি যে সবজি রান্না করছেন, তার কিছুটা অংশ খুন্তি দিয়ে হালকা ভেঙে দিলেও গ্রেভি তাড়াতাড়ি ঘন হয়ে যায়।
পেঁয়াজ বা টমেটো বাটা
পেঁয়াজ বা টমেটো ভালো করে বেটে গ্রেভিতে মেশালেও ঝোল স্বাভাবিকভাবেই ঘন হয়। তবে এক্ষেত্রে পেঁয়াজ বা টমেটো বাটার কাঁচা গন্ধ যাওয়া পর্যন্ত ভালো করে কষানো বা ফোটানো খুব জরুরি। না হলে গ্রেভির আসল স্বাদটাই নষ্ট হয়ে যাবে।
আর একটু বেশি সময় ফোটান
অনেক সময় কোনও কিছু না মিশিয়েও ঝোল ঘন করা যায়। পাত্রের ঢাকনা খুলে গ্রেভিকে আরও কয়েক মিনিট বেশি সময় ধরে ফোটালে বাড়তি জল শুকিয়ে যায়। এতে ঝোল স্বাভাবিকভাবেই ঘন হয়ে আসে। এতে একটু বেশি সময় লাগে, কিন্তু গ্রেভির স্বাদ একদম ঠিকঠাক থাকে।


