Travel Tips: নিউ দিঘার Digha Science Centre-এর পেছনে ২০১০-এ চালু হওয়া "Jurassic Park" আবার মডার্ন টেকনোলজি নিয়ে ফিরছে। বন্ধ থাকার পর এবার Light & Sound Show, 3D স্ক্রিন, Interactive সুইচ সহ নতুন করে সাজানো হচ্ছে।

Travel Tips: সমুদ্রের ঢেউ দেখে বোর হয়ে গেছেন? দিঘায় এবার সমুদ্রের পাশাপাশি ডাইনোসরের ডেরা! নিউ দিঘার Digha Science Centre & National Science Camp-এর ভেতরেই তৈরি হচ্ছে আস্ত "জুরাসিক পার্ক"। হ্যাঁ, হলিউডের সিনেমার মতোই।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

পুরোনো পার্ক নতুন রূপে: এই পার্কটা আসলে নতুন না। ২০১০ সালে চালু হয়েছিল সায়েন্স সেন্টারের পেছনের জঙ্গল ঘেরা জায়গায়। তখন লাইট-সাউন্ডে ডাইনোসরের উৎপত্তি, বিবর্তন, বিলুপ্তি দেখানো হতো। টুরিস্টদের খুব ভালো লেগেছিল। কিন্তু যন্ত্রপাতির সমস্যায় এক দশক ধরে বন্ধ ছিল। এবার পুরোনো মডেলগুলো রিপেয়ার করে, নতুন টেকনোলজি ঢুকিয়ে আবার খুলছে।

জুরাসিক পার্কে কী থাকবে?

১. লাইফ-সাইজ ডাইনোসর + লাইট-সাউন্ড শো ভেতরে ঢুকতেই শুনবেন ডাইনোসরের পায়ের আওয়াজ, গর্জন। থাকবে T-Rex, Triceratops, Stegosaurus, Velociraptor-এর বিশাল মডেল। গেটেই দাঁড়িয়ে আছে ম্যাসিভ T-Rex। চারপাশে পাম গাছ, প্রাগৈতিহাসিক জঙ্গলের মতো সাজানো। আলো-আঁধারিতে মনে হবে জুরাসিক যুগে চলে এসেছেন।

২. 3D স্ক্রিন + Interactive সুইচ পুরোনো পার্কে ডাইনোসর নড়াচড়া করত। এবার নড়বে না, কিন্তু প্রতিটা ডাইনোসরের গায়ে থাকবে একটা করে সুইচ। সুইচ টিপলেই জানতে পারবেন ওই প্রজাতির নাম, কী খেত, কত বছর আগে বেঁচে ছিল। আর 3D স্ক্রিনে দেখানো হবে ডাইনোসরের জন্ম থেকে বিলুপ্তি পর্যন্ত পুরো গল্প।

৩. সায়েন্স সেন্টারের বাকি আকর্ষণ শুধু ডাইনোসর না। এক টিকিটে পাবেন বোনাস: - 3D থিয়েটার: গ্রেট ওয়াল অফ চায়না, গ্লোবাল ওয়ার্মিং-এর শো - তারামণ্ডল/Planetarium: মহাকাশের শো - সায়েন্স পার্ক: ফিজিক্স, বায়োলজির হাতেকলমে এক্সপেরিমেন্ট - মিরর মেজ/Bhul Bhulaiya: বাচ্চাদের ফেভারিট।

টিকিট + টাইমিং: সায়েন্স সেন্টারের এন্ট্রি ফি মাত্র ২০ টাকা। আর জুরাসিক পার্কের জন্য আলাদা ১৫ টাকা। স্টুডেন্ট-গ্রুপের জন্য ১০ টাকা, সরকারি স্কুলের বাচ্চাদের ৫ টাকা। রোজ সকাল ৯টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত খোলা।

কাদের জন্য বেস্ট? ডাইনোসর দেখতে বাচ্চারা পাগল। কিন্তু বড়রাও মিস করবেন না। কারণ এটা শুধু মজা না, এডুকেশনও। ডাইনোসরের বিবর্তন, পৃথিবীর ইতিহাস সব শিখে যাবেন খেলতে খেলতে। ছবি তোলার জন্য পারফেক্ট স্পট। T-Rex-এর মুখের ভেতর মাথা ঢুকিয়ে সেলফি - ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল গ্যারান্টি।

কবে খুলবে? আপাতত কাজ চলছে জোর কদমে। ওয়াকওয়ে, রেলিং, রাস্তা সব নতুন করে বানানো হচ্ছে। অফিসিয়াল ওপেনিং ডেট এখনও ঘোষণা হয়নি সরকারি ভাবে। কিন্তু সায়েন্স সেন্টার কর্তৃপক্ষ বলছে, টুরিস্টদের জন্য আবার আকর্ষণীয় করে তোলাই লক্ষ্য।

শেষ কথা: দিঘা মানে শুধু সমুদ্র আর মাছভাজা না। এবার দিঘা মানে "ডাইনো-দিঘা"। উইকেন্ডে প্ল্যান করুন। বাচ্চাকে নিয়ে যান। T-Rex-এর গর্জন শুনে তার চোখের আনন্দটা নিজের চোখে দেখুন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।