চোখের পাতার সূক্ষ্ম, অনিয়ন্ত্রিত পেশি সংকোচন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ক্ষণস্থায়ী এবং ক্ষতিকর কিছু নয়। সাধারণত এক চোখেই হয় এবং নিজে থেকেই ঠিকও হয়ে যায়।
চোখ কাঁপলে শুভ বা অশুভের যে কুসংস্কার প্রচলিত আছে, তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ‘আইলিড মায়োকিমিয়া’ (Eyelid Myokymia) বলা হয়, যা মূলত চোখের ক্লান্ত পেশি, অতিরিক্ত চাপ, ঘুমের অভাব বা ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতিজনিত কারণে হয়ে থাকে। এটি সাধারণত সাময়িক এবং ক্ষতিকারক নয়।
চোখের পাতার সূক্ষ্ম, অনিয়ন্ত্রিত পেশি সংকোচন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ক্ষণস্থায়ী এবং ক্ষতিকর কিছু নয়। সাধারণত এক চোখেই হয় এবং নিজে থেকেই ঠিকও হয়ে যায়।
চোখ কাঁপার আসল কারণসমূহ:
* অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও ক্লান্তি: দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন দেখা বা অপর্যাপ্ত ঘুম।
* ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল: কফি বা অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় বেশি গ্রহণ।
* পুষ্টির অভাব: শরীরে ম্যাগনেসিয়াম বা পটাসিয়ামের অভাব।
* চোখের অ্যালার্জি বা শুষ্কতা: শুষ্ক চোখ বা অ্যালার্জির কারণে পেশি সংকুচিত হয়।
জরুরি ডাক্তারি পরামর্শ (কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন):
সাধারণত দু-এক দিনে চোখ কাঁপা কমে যায়। তবে এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। যেমন - চোখ কাঁপা কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থায়ী হলে। চোখ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেলে বা চোখ লাল হয়ে ফুলে গেলে। এছাড়া চোখের পাতা খুব বেশি ভারী মনে হলে বা দৃষ্টি ঘোলাটে হলেও হতে পারে। মুখের অন্য কোনো অংশে পেশি কাঁপলে বা দুর্বলতা অনুভব করলে হয়।
প্রতিকার:
* পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রাম নিন।
* স্ক্রিন টাইম কমান।
* পুষ্টিকর খাবার খান।
এই লক্ষণগুলোকে অশুভের সংকেত মনে না করে, শরীরের ক্লান্তির বার্তা হিসেবে গ্রহণ করে বিশ্রাম নেওয়াই শ্রেয়।


